স্মার্ট মিটার বসানোর ডেডলাইন বেঁধে দিল রাজ্য সরকার

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্য সরকার (Government Of West Bengal) বদল হতেই একেবারে দ্রুত গতিতে চলছে একের পর এক প্রকল্পের কাজ। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বাংলা সাধারণ মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে তৎপর রাজ্য সরকার। এরই মাঝে এবার বাড়িতে বাড়িতে স্মার্ট মিটার বসানোর প্রক্রিয়া শুরু করার ইঙ্গিত মিলল রাজ্য সরকারের তরফে। রাজ্যের তরফে ইতিমধ্যেই সমস্ত সরকারি দফতরে স্মার্ট মিটার বসানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ দিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। প্রশাসন সূত্রে খবর, আগামী দিনে সাধারণ গ্রাহকদের বাড়িতেও স্মার্ট মিটার বসাতে পারে সরকার।

আগস্টের মধ্যেই বসানো হবে স্মার্ট মিটার

সরকারের তরফে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই মুহূর্তে রাজ্যে প্রায় 92 হাজার সরকারি দফতর রয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই 92 হাজার সরকারি দফতরের মধ্যে অন্তত 80 হাজার দফতরে স্মার্ট মিটার বসানো হয়েছে ঠিকই তবে আগের সরকারের আমলে সেই সব স্মার্ট মিটার চালু করা যায়নি। তাই বর্তমান রাজ্য সরকার বাকি থেকে যাওয়া 12 হাজার সরকারি দফতরে স্মার্ট মিটার বসিয়ে আগামী আগস্ট মাসের মধ্যেই সমস্ত দফতরে স্মার্ট মিটার চালু করতে চাইছে। সেই মতোই দেওয়া হয়েছে নির্দেশ।

বলাই বাহুল্য, সম্প্রতি নাকি কলকাতায় কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রী মনোহর লাল খট্টোরের সাথে বৈঠক হয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। সেই বৈঠকেই নাকি ঠিক হয়েছে রাজ্যের সমস্ত সরকারি দফতরে স্মার্ট মিটার বসিয়ে সেগুলি চালু করা হবে। শুধু তাই নয়, এই স্মার্ট মিটারগুলি বসানো হলে পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বিশেষ আর্থিক সুবিধা পেতে পারে রাজ্য সরকার।

অবশ্যই পড়ুন: ২.৫৮ লক্ষ কোটি বিনিয়োগ, প্রচুর কর্মসংস্থান! বাংলায় তৈরি হচ্ছে ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন কেন্দ্র 

প্রসঙ্গত, সাধারণত স্মার্ট মিটার প্রিপেইড ব্যবস্থায় কাজ করে থাকে। এতে ব্যবহারকারীরা আগে রিচার্জ করে বিদ্যুৎ খরচ করে নেন। ফলে বিদ্যুৎ চুরির মতো বিষয়গুলি আটকানো সম্ভব হয়। যদিও এই ধরনের প্রকল্প নিয়ে আগেই সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা গিয়েছিল। তাঁদের অভিযোগ ছিল, স্মার্ট মিটারে অত্যাধিক পরিমাণে বিল আসছে। মূলত সে কারণে পুরনো সব অভিযোগ মাথায় রেখে সরকারি দফতরের পর রাজ্যের সাধারণ গ্রাহকদের বাড়িতে এই মিটার বসানোর পরিকল্পনা করছে সরকার।