IIT খড়গপুরের মুকুটে নতুন পালক, আন্তর্জাতিক সম্মান পেলেন পরিচালক সুমন চক্রবর্তী

Published:

IIT Kharagpur

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ এবার বিশ্ব মঞ্চে বিরাট রেকর্ড গড়ল আইআইটি খড়গপুর (IIT Kharagpur)। শুক্রবার এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আইআইটি খড়গপুরের পরিচালক অধ্যাপক সুমন চক্রবর্তী (Suman Chakraborty) ‘দ্য ওয়ার্ল্ড অ্যাকাডেমি অফ সায়েন্সেস’ (TWAS)-এর ফেলো নির্বাচিত হয়েছেন এবং তাঁর এই ফেলোশিপ ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। এ এক বিরল সম্মান।

বিরল সম্মান অর্জন করলেন আইআইটি খড়গপুরের অধিকর্তা

জানা গিয়েছে, এই স্বীকৃতির মাধ্যমে সুমন চক্রবর্তীর বৈজ্ঞানিক গবেষণায় অবদান এবং বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষ সাধনে তাঁর প্রচেষ্টাকে স্বীকার করা হলো। বিবৃতিতে টিডব্লিউএএস সভাপতি অধ্যাপক কুরাইশা আব্দুল করিমের পক্ষ থেকে ৫ নভেম্বর তারিখে পাঠানো একটি আনুষ্ঠানিক চিঠির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যেখানে তিনি সুমন চক্রবর্তীকে তার নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছিলেন।

TWAS কী?

এক সাক্ষাৎকারে সুমন চক্রবর্তী বলেন, তাঁর অগ্রাধিকার হবে আইআইটি খড়গপুরকে “বৈশ্বিক ও জাতীয় গবেষণা এবং শিক্ষাক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ” করে তোলা। TWAS হলো একটি আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক একাডেমি, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বৈজ্ঞানিক উৎকর্ষ সাধন এবং বৈজ্ঞানিক সক্ষমতা শক্তিশালীকরণে নিবেদিত।

আরও পড়ুন: খানাকুলে রামমোহন মেলার আগে ঝঞ্ঝাট, তারিখ ঘোষণা নিয়ে দুই বিজেপি বিধায়কের মতবিরোধ

সুমন চক্রবর্তীর সুদীর্ঘ শিক্ষাজীবন তাঁকে আমেরিকান ফিজিক্যাল সোসাইটি, রয়্যাল সোসাইটি অফ কেমিস্ট্রি, আমেরিকান সোসাইটি অফ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার্স, ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল সায়েন্স একাডেমি, ইন্ডিয়ান একাডেমি অফ সায়েন্সেস, ন্যাশনাল একাডেমি অফ সায়েন্সেস, ইন্ডিয়া এবং ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল একাডেমি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং-সহ বেশ কয়েকটি মর্যাদাপূর্ণ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক এবং পেশাদার সংস্থার ফেলোশিপ এনে দিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘TWAS-এ তাঁর নির্বাচিত হওয়া তাঁর গৌরবময় শিক্ষাজীবনে আরও একটি উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি যোগ করল। পাশাপাশি, এটি বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় বিজ্ঞান নেতৃত্ব, গবেষণার উৎকর্ষ এবং উদ্ভাবনী ক্ষমতার ক্রমবর্ধমান স্বীকৃতিকেও প্রতিফলিত করে। এই বিশেষ স্বীকৃতি IIT খড়গপুরের আন্তর্জাতিক শিক্ষাক্ষেত্রে সুনাম ও বিশ্বব্যাপী মর্যাদাকে আরও সুদৃঢ় করবে। একই সঙ্গে, অগ্রণী গবেষণা, বৈজ্ঞানিক অগ্রগতি এবং বিশ্বজুড়ে জ্ঞানভাণ্ডারে অর্থবহ অবদান রাখার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের অঙ্গীকারকে পুনরায় নিশ্চিত করবে।’

google button