১৫ সেপ্টেম্বর থেকেই শুরু, কলকাতার আরও ৯০টি স্কুলে মিড-ডে মিল দেবে ইসকন

Published:

mid day meal

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: কলকাতার আরও বেশ কিছু সরকারি ও সরকারপোষিত স্কুলে মিড-ডে মিল (Mid Day Meal) সরবরাহের দায়িত্ব পেতে চলেছে ইসকন। স্কুলশিক্ষা দফতরের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রায় ৯০টি স্কুলকে এই পরিষেবার আওতায় আনা হচ্ছে। দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে খিদিরপুর ও আলিপুর এলাকার অধিকাংশ স্কুলে ইসকনের তরফে রান্না করা খাবার পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, প্রথম দফায় নির্দিষ্ট সংখ্যক স্কুলে পরিষেবা চালুর পর এবার আরও স্কুলে তা সম্প্রসারিত করা হচ্ছে।

প্রথম দফায় ৫০০ স্কুলে শুরু হয়েছিল পরিষেবা

গত ১ অগস্ট থেকে কলকাতার সরকারি ও সরকারপোষিত স্কুলগুলিতে মিড-ডে মিল সরবরাহের কাজে ইসকনকে যুক্ত করা হয়। কলকাতার মোট ১,৮০০টি স্কুলের মধ্যে প্রথম পর্যায়ে ৫০০টি স্কুলকে এই ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছিল। এবার সেই তালিকায় আরও প্রায় ৯০টি স্কুল যুক্ত হচ্ছে। স্কুলশিক্ষা দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, আলিপুরের কেন্দ্র থেকেই এই স্কুলগুলিতে খাবার সরবরাহ করা হবে। ধাপে ধাপে কলকাতার আরও স্কুলে এই পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

ইসকনকে মিড-ডে মিল সরবরাহের দায়িত্ব দেওয়ার পর থেকেই খাবারের মেনু নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছিল। বিশেষ করে, পড়ুয়াদের খাবারে ডিম থাকবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরে সরকারের তরফে জানানো হয়, মিড-ডে মিলে ডিম দেওয়ার ব্যবস্থা আলাদাভাবে করা হবে। সেই জন্য হরিণঘাটার খামারের সঙ্গে চুক্তি করে স্কুলগুলিতে ডিম পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলে ইসকনের রান্না করা খাবারের পাশাপাশি নির্ধারিত মেনু অনুযায়ী ডিমও পড়ুয়াদের দেওয়া হবে সেই কথা জানানো হয়।

আরও পড়ুন: ২০,৭০০ কোটি খরচে চালু হল ২,৮৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ডেডিকেটেড ফ্রেট করিডোর

ইসকনের দেওয়া মিড-ডে মিলে ব্যবহৃত চালের মান নিয়েও একসময় অনেক প্রশ্ন উঠেছিল। যদিও স্কুলশিক্ষা দফতরের দাবি, পড়ুয়াদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখেই ওই চাল ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে এবং এতে অতিরিক্ত খাদ্যগুণ রয়েছে। খাবারের স্বাদ নিয়েও স্কুলগুলির কাছ থেকে এখনও পর্যন্ত সন্তোষজনক প্রতিক্রিয়া মিলছে বলে দাবি দফতরের এক আধিকারিকের। তাঁর কথায়, বর্তমানে খাবারের সঙ্গে মিষ্টি ও পনিরও দেওয়া হচ্ছে। আগামী দিনে ধাপে ধাপে কলকাতার সব স্কুলকে এই পরিষেবার আওতায় আনার লক্ষ্যেই এগোচ্ছে স্কুলশিক্ষা দফতর।