‘মিথ্যে প্রতিশ্রুতি,’ DA, সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে বিস্ফোরক পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীরা

Published:

Dearness allowance

সহেলি মিত্র, কলকাতা: বকেয়া ডিএ (Dearness allowance), সপ্তম বেতন পে কমিশন নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে ফের একবার বড় মন্তব্য করলেন কনফাডেরেশন অফ স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়। নতুন সরকারের বিরুদ্ধেও নিজের ক্ষোভ উগড়ে দিলেন তিনি। সরকারকে মিথ্যুক বলেও আখ্যা দিলেন। সরকারের সিদ্ধান্তে সরকারি কর্মীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন বলে জানালেন তিনি। আরও বিশদে জানতে চোখ রাখুন আজকের এই প্রতিবেদনটির ওপর।

DA, সপ্তম বেতন কমিশন নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মলয় মুখোপাধ্যায়

ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তায় মলয় মুখোপাধ্যায় জানালেন, ‘আমরা হতাশ। মারাত্মকভাবে হতাশ। যদি বলি মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে বর্তমান সরকার কর্মচারীদের ভোট নিজের ঝুলিতে ভরেছে। সেটা তো ভুল বলা হবে না। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন ৪৫ দিনের মধ্যে DA এবং বেতন কমিশন লাগু করা হবে। আরে আমরা জানি, বেতন কমিশন ৪৫ দিনের মধ্যে লাগু হয় না। বেতন কমিশনের সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং লাগু হওয়া এই দুটোর মধ্যে পার্থক্য আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘কী পেলাম আমরা? সপ্তম। বেতন পে কমিশন গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্ত নিলে নোটিফিকেশন জারি হবে, চেয়ারম্যান নিয়োগ করা হবে, মেম্বার নিয়োগ করা হবে, নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হবে, শুনানি হবে, তারপর বেতন কমিশন লাগু হবে। কেন্দ্রীয় সরকার যে ফিটমেন্ট ফ্যাক্টর নির্দিষ্ট করবে সেটা অনুযায়ীই কিন্তু বেতন কমিশনে আমাদের বেতন হবে। সরকার কী জানে না যে সপ্তম বেতন কমিশন তৈরী হতে গেলে ষষ্ঠ বেতন পে কমিশনে যে ডিএ-টা সেটা আগে দিতে হবে। আমাদের ১৮% বা ৫ কিস্তি দিয়ে মেটাতে হবে।’ তিনি আরও জানান,  ‘ডিএ ও বেতন কমিশন নিয়ে নয়া সরকার অশ্বডিম্ব প্রসব করলেন।’

আরও পড়ুনঃ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে ED তদন্তের অনুমতি, আরজি কর কাণ্ডে ফের বড় পদক্ষেপ

বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

পশ্চিমবঙ্গে নবনির্বাচিত বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার কয়েক দিনের মধ্যেই তাদের কয়েকটি বড় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে শুরু করেছে। সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভা সরকারি কর্মচারীদের জন্য সপ্তম বেতন কমিশন বাস্তবায়নের অনুমোদন দিয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার লক্ষ্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী এবং কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের বেতন ব্যবধান কমানো। যদিও সরকারের ঘোষণায় খুব একটা কেউ খুশি নন তা বোঝাই যাচ্ছে।