প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: অন্নপূর্ণা ভান্ডারের (Annapurna Bhandar) টাকার সুবিধা পেল মুসলিম মহিলারা। আর সেই আনন্দে গেরুয়া আবিরের মাধ্যমে অকাল হোলিতে মাতলেন জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) স্থানীয়রা। ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি তিন হাজার টাকা ঢুকে যাওয়ায় রীতিমত লাড্ডু বিতরণ শুরু হল পাড়ায় পাড়ায়। এমনকি টাকা পাওয়ার আনন্দে মুসলিম মহিলা তথা যুবকদের মুখে মুখে ধ্বনিত হল ‘বন্দে মাতরম’ স্লোগান।
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে ভিন্ন চিত্র চারিদিকে
অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টাকা জমা পড়ল কি না, তা জানতে ১ জুলাই, বুধবার বিকেল থেকেই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন রাজ্যের সকল মহিলারা। টাকা ঢুকেছে কিনা তা দেখার জন্য অনেকেরই চোখ আটকে ছিল মোবাইলে। অনেকেই আবার খোঁজখবর নিতে ভিড় করেন ব্যাঙ্কে। জানা গিয়েছে বেশ কয়েকজন আবার অন্নপূর্ণার টাকা পাওয়ার আনন্দে মোবাইলের স্ক্রিনশট তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দিয়েছেন। এমনই মিশ্র চিত্র দেখা যাচ্ছে বিগত কয়েকদিন ধরে। তবে এবার মুসলিম মহল্লায় দেখা গেল অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাওয়ার এক ভিন্ন সেলিব্রেশন।
অকাল হোলিতে মাতলেন স্থানীয়রা
প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, গত বুধবার এবং বৃহস্পতিবার, জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের রাজগঞ্জ বিধানসভার মুসলিম মহল্লায় অনেক মহিলার অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা যোজনার ৩০০০ টাকা ঢুকে গিয়েছিল। আর সেই টাকা হাতে আসতেই খুশির হাওয়া বয়ে যায় এলাকা জুড়ে। আর সেই সেলিব্রেশন শুরু হয় গেরুয়া আবির দিয়ে। মিষ্টিমুখ করানো থেকে শুরু করে আবির খেলার মাধ্যমে সকলেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। অনেকের ধারণা ছিল মুসলিম মহিলারা এই প্রকল্প থেকে বাদ পড়তে পারেন, কিন্তু সব গুজবকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শুভেন্দু সরকার দেখিয়ে দিলেন যে সবার জন্য নিয়ম এক।
আরও পড়ুন: ‘শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত মাথানত নয়’ শুভেন্দু সরকারকে বড় হুঁশিয়ারি অভিষেকের
সরকারি যোজনার টাকা পেয়ে নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক মুসলিম মহিলা সাংবাদিকদের বলেন, “ আমরা খুব খুশি, শুভেন্দু অধিকারীর সরকার যে এইভাবে আমাদের পাশে থেকেছেন, তার জন্য আমরা খুবই আপ্লুত। আশা রাখছি ভবিষ্যতেও আমাদের পাশে থাকবেন।” অনেকের দাবি তৃণমূলের নেতারা অনেক উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছিল। বলেছিল সরকারের কোনো ভাতাই তাঁরা পাবেন না অবশেষে সেই ধারণা মিটল। এদিন শুধু মিষ্টিমুখ আর গেরুয়া আবির খেলেই থামলেন না তাঁরা। তাঁদের মুখে শোনা গেল বন্দে মাতরম স্লোগান।










