সকাল থেকেই বাংলায় NIA-র অভিযান, নজরে বাংলাদেশি জঙ্গিগোষ্ঠীর ‘স্লিপার সেল’

Published:

NIA

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বাংলায় বিশাল তল্লাশি অভিযান শুরু করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA Raids)। তদন্তকারী সংস্থাগুলো উত্তর-পূর্ব ভারতে জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান আরও একবার জোরদার করেছে। এনআইএ আজ মঙ্গলবার আসাম, পশ্চিমবঙ্গ এবং কেরালার ১৬টি স্থানে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে।

বাংলাসহ ১৬ জায়গায় স্লিপার সেল খুঁজছে NIA?

স্লিপার সেলদের খুঁজতে বিরাট অভিযান চালাচ্ছেন এনআইএ-র আধিকারিকরা। ইতিমধ্যে সংস্থাটি এই মামলায় এনআইএ আদালতে ১১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে। জানা গেছে, তদন্তে আন্তঃসীমান্ত সংযোগ, যুবকদের উগ্রপন্থী হতে প্ররোচিত করা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের উপর আলোকপাত করা হচ্ছে। এই তল্লাশি অভিযান আসামে ১০টি, পশ্চিমবঙ্গে পাঁচটি এবং কেরালায় একটি স্থানে চালিয়েছে সংস্থা।

মূলত নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন জামায়াত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি)-এর নেটওয়ার্ক এবং তাদের স্লিপার সেল গঠনের প্রচেষ্টা সংক্রান্ত তদন্তের অংশ হিসেবে জাতীয় তদন্ত সংস্থা মঙ্গলবার সকালে বাংলার পাঁচটি স্থানে একযোগে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে। আসামে নথিভুক্ত একটি আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ মামলার তদন্তের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এনআইএ-র দল দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারী, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার এবং পূর্ব বর্ধমানসহ পাঁচটি স্থানে তল্লাশি চালিয়েছে।

আরও পড়ুন: “রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল…” পুলিশের বক্তব্য শুনেই হাইকোর্টে খারিজ শুভেন্দুর মামলা

নজরে বাংলার একাধিক জেলা!

এনআইএ সূত্রে খবর, দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুরে বংশীহারী ব্লকের মুন্ডেহের গ্রামে গিয়েছে এনআইএ-র একটি দল। সেখানে মিজানুর রহমান নামে একজনের বাড়িতে অভিযান চলছে। পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটের পালিশগ্রামেও তল্লাশি চলছে। উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে আসামে গ্রেফতার হওয়া এক যুবক জেএমবি-র সঙ্গে যুক্ত ছিল। জিজ্ঞাসাবাদ এবং তার ল্যাপটপ ও অন্যান্য নথি পরীক্ষার মাধ্যমে জানা গেছে যে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে সে মাধ্যমে বাংলার কিছু যুবককে উগ্রপন্থী বানানোর কাজে জড়িত ছিল এবং রাজ্যে একটি জেএমবি মডিউল সক্রিয় ছিল। বাংলায় স্লিপার সেল তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেও তদন্ত চলছে।

google button