রাজ্য সরকারের উদ্যোগে গোটা বাংলায় পালিত হবে রাখি বন্ধন উৎসব, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

Published:

Suvendu Adhikari

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: স্বাধীনতা দিবসকে আরও স্মরণীয় করতে এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে ডাবল ইঞ্জিন সরকার শাসিত পশ্চিমবঙ্গে। ৯ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত চলবে এই কর্মসূচি। এমনকি রাজ্যের স্কুলগুলিতেও এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। আর সেই কর্মসূচির আওতায় প্রথমবার প্রাতিষ্ঠানিক সামিল হল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এদিন কলকাতার রাজপথে তেরঙ্গা যাত্রায় অংশগ্রহণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আর সেখানেই রাখি বন্ধন নিয়ে বড় কথা শোনালেন তিনি।

এবার পশ্চিমবঙ্গে পালিত হবে রাখি বন্ধন উৎসব

সোমবার শহরের গোষ্ঠ পাল সরণি থেকে পদযাত্রা শুরু হয়। ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের নর্থ গেট পর্যন্ত এই পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছিল। আজ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ, অর্জুন সিং, রত্না দেবনাথ, কৌস্তুভ বাগচী, রুদ্রনীল ঘোষ, দীপক বর্মন সহ প্রমূখ। এমনকি রাজ্যের মন্ত্রীদের সঙ্গে এদিন শহরের রাজপথে পা মেলান হাজার হাজার সমর্থক।

তবে আজ শোভাযাত্রা শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রাখি বন্ধন নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন। তিনি জানান, চলতি বছর থেকেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে সরকারি স্তরে রাখি বন্ধন উৎসব পালিত হবে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “রাখি বন্ধন ধর্মীয় মুহূর্তকে শ্রদ্ধার পাশাপাশি পারস্পরিক, সামাজিক আর সম্প্রীতি এবং ভাতৃত্বের বন্ধনকে সুদৃঢ় করে। আমরা যাতে এই পশ্চিমবঙ্গকে নবনির্বাণ করতে পারি, সেটাই আমাদের উদ্দেশ্য। পশ্চিমবঙ্গকে ভারত সেরা করতে হবে।”

আরও পড়ুন: অন্নপূর্ণা থেকে যুবশক্তি, আয়ুষ্মান ভারত! রাজ্য সরকারের প্রকল্পগুলির আয়ের সীমা কত?

হর ঘর তিরঙ্গা কর্মসূচির আওতায় রাজ্যজুড়ে মোট ৭০ লক্ষ পতাকা বিতরণ করা হয়েছে বলে খবর। এমনকি প্রত্যেকটি স্কুলের জন্য আলাদা করে পতাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ১৫ আগস্ট রেড রোডে স্বাধীনতা দিবসের পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আসলে প্রতিবছর ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে ৯ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত এই কর্মসূচির আয়োজন করে কেন্দ্র সরকার। কিন্তু তৃণমূলের আমলে রাজ্যে সেই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়নি। এবার সরকারের পালাবদল হতেই আড়ম্বরের সঙ্গে পালন করা হচ্ছে হর ঘর তিরঙ্গা।