সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভোটের পর মাত্র ৭ দিন রাজ্যের স্কুলগুলোতে গরমের ছুটি (Summer Vacation) দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অতিরিক্ত দাবদাহের কথা বিবেচনা করে সেই ছুটি দীর্ঘায়িত করা হয়, এবং ৩১ মে পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়েছিল। সেই সূত্রে আগামী ১ জুন গ্রীষ্মকালীন ছুটি শেষ করে স্কুলগুলিতে পঠনপাঠনের দরজা খুলবে। তবে ছাত্র-ছাত্রীরা থেকে শুরু করে অভিভাবকদের মধ্যে এ নিয়ে কৌতুহল ছিল। আর শিক্ষা দফতরের (Education Department) সাম্প্রতিক এক বৈঠকে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। এমনকি সেখানে একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
স্কুল শিক্ষা দফতরের বৈঠকে বড় আপডেট
ছাত্র-ছাত্রী থেকে শুরু করে শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবকদের মনে প্রশ্ন ছিল, কবে স্কুল খুলবে? তা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করেছে শিক্ষা দফতর। সম্প্রতি কমিশনার অফ স্কুল এডুকেশন এবং জেলার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক ডিআই-দের নিয়ে অনলাইনে একটি বৈঠক করে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। সেখানে স্কুল খোলা থেকে শুরু করে মিড ডে মিল, প্রার্থনা সংগীত, পঠনপাঠনের নিয়মকানুন, এমনকি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির জন্যও বৈঠকে বিভিন্ন রকম ঘোষণা করা হয়েছে।
রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পরই মিড ডে মিল থেকে শুরু করে স্কুলের পঠনপাঠন, প্রার্থনা সংগীত সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খাতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে যে, স্কুলের প্রার্থনা সংগীত হিসেবে এবার ‘বন্দেমাতরম’ বাধ্যতামূলক। সেই সূত্রে আগামী ১ জুন থেকেই প্রত্যেকটি সরকার ও সরকার পোষিত স্কুলগুলিতে এই গান গাওয়া হবে। এমনকি মাদ্রাসাতেও ‘বন্দেমাতরম’ বাধ্যতামূলক করেছে রাজ্য সরকার। আর সাথে জাতীয় সংগীত তো রয়েছেই।
আরও পড়ুন: সোনা, রুপোর দামে ফের বদল! কমল নাকি বাড়ল? দেখুন আজকের রেট
এছাড়া বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে, যাতে পড়াশোনার পরিবেশ ঠিক থাকে। প্রথমত, বিদ্যালয়ের পঠনপাঠনের মান পর্যবেক্ষণ করতে স্কুল পরিদর্শক নিয়মিত পরিদর্শনে আসবে। দ্বিতীয়ত, মিড ডে মিলের গুণগত মান যাচাই করতে হবে। তৃতীয়ত, ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কম বা শূন্য, এরকম স্কুলগুলির আলাদা তালিকা তৈরি করতে হবে, এবং সেগুলি নিয়ে আরও পর্যালোচনা দরকার। এছাড়া পাঠ্যবই ডিস্ট্রিবিউশন থেকে শুরু করে আইসিটি এবং আধার সংক্রান্ত যাবতীয় সমাধান স্কুলগুলিতেই হবে। আর শিক্ষকদের রেশনালাইজেশন করা হবে স্কুল খোলার পর।










