সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বাদ যাচ্ছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে (Annapurna Bhandar) উপভোক্তাদের নাম। “Application Rejected” এই অভিযোগে তোলপাড় এখন গোটা রাজ্যের রাজনীতি। যদিও সেই অভিযোগ পাওয়ার পরেই আবারও আবেদনের স্ট্যাটাসগুলি “Under Enquiry’ পর্যায়ে রাখা হয়েছে। কিন্তু এই সমস্ত মহিলারা কি আদৌ টাকা পাবেন? বিজ্ঞপ্তি জারি করে স্পষ্ট জানাল রাজ্য সরকার। এমনকি পুনরায় তথ্য যাচাইয়ের কথা বলা হয়েছে নবান্নের তরফ থেকে।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়ে বড় উদ্যোগ রাজ্যের
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কথা অনুযায়ী ১ জুলাই রাজ্যের মোট ১ কোটি ৯, লক্ষের বেশি মহিলার অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা দেওয়া হয়েছে। তবে গত ৪ তারিখ নবান্নের তরফ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, মোট ১.৬২ কোটি আবেদন জমা পড়েছিল। এর মধ্যে ১.২২ কোটি আবেদন অনুমোদিত হয়েছে, আর ২৭.৮৩ লক্ষ ফর্ম বাতিল করা হয়েছে। তবে কিছু মানদন্ডের উপর ভিত্তি করেই ফর্মগুলিকে বাতিল করা হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলে পরিবার আয়কর প্রদান করে, তিনটির বেশি ঘর রয়েছে, জিএসটির আওতায় রয়েছে এরকম।
তবে চিন্তার কোনও কারণ নেই। যাদের আবেদন বাতিল হয়েছে তাদের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই আবেদনগুলি শুধুমাত্র সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে। আর বাতিল হওয়া সমস্ত আবেদনগুলি মাঠ পর্যায়ে বাধ্যতামূলক তদন্ত করতে হবে, এবং প্রতিটি মামলার সুপারিশ পোর্টালে আপলোড করতে হবে। সবথেকে বড় ব্যাপার, আজ অর্থাৎ ৫ জুলাই থেকেই এই কাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে নবান্নের তরফ থেকে, এবং আগামী সাত দিনের মধ্যে এই তথ্য যাচাই সম্পন্ন করতে হবে, যাতে কোনও যোগ্য সুবিধাভোগী অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার থেকে বাদ না পড়েন।

আরও পড়ুন: শক্তি কমল ভারতীয় পাসপোর্টের, এখন কত নম্বরে? দেখুন র্যাঙ্কিং
এমনকি রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এও জানানো হয়েছে, প্রতিটি আবেদন তদন্ত করে অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যানের সুপারিশ সহ কারণ আপলোড করতে হবে। কারণ, অনেকেই অফলাইনের মাধ্যমে আবেদন করেছেন। তারা যেন বঞ্চিত না হন। সেই কাজ আগামী ১০ জুলাইয়ের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়া অফলাইন ফর্মগুলো ডিজিটাইজ করা বা সাময়িকভাবে খারিজ হওয়া মামলাগুলির তদন্ত এবং সুপারিশগুলি আপলোড করার কাজ আগামী ১০ তারিখের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে বলে জানানো হয়েছে। কিন্তু হ্যাঁ, ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত কোনও সমস্যা বা আধার সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে সেগুলি উপভোক্তাদেরকে নিজেদেরই সমাধান করতে হবে। সেক্ষেত্রে রাজ্য সরকার কোনও দায়বদ্ধতা নেবে না।










