বারুইপুরের গণধর্ষণ কাণ্ডে মৃতা নাবালিকার বাবাকে সরকারি চাকরি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বারুইপুরের 11 বছর বয়সি নাবালিকাকে গণধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় (Baruipur  Case) মূল অভিযুক্তকে এনকাউন্টার করেছে পুলিশ। তাতে খুশি রাজ্যবাসী। এবার নির্যাতিতার বাবাকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কারা দপ্তরে চাকরি দিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এখানেই শেষ নয়, মৃতার পরিবারকে আর্থিক সাহায্যও করেছে রাজ্য সরকার। এদিকে সরকারের তরফে এমন পদক্ষেপের পর নাবালিকার বাবা চাকরিতে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন!

মানসিক অবস্থা ঠিক হলেই চাকরিতে যোগ দেবেন মৃতার বাবা

বারুইপুরের, সূর্যপুরে ষষ্ঠ শ্রেণির নাবালিকা ছাত্রীকে গণধর্ষণ এবং খুনের পর তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হলে মৃতার পরিবারের সাথে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সাথে, তিনি দোষীদের কঠোর শাস্তি দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দেন। এরপরই গণধর্ষণ কাণ্ডে পুলিশকে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। আর তার পর পরই গ্রেফতার করা হয় চারজন অভিযুক্তকে। পরবর্তীতে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় মূল অভিযুক্ত প্রভাস মন্ডলের।

অবশ্যই পড়ুন: মোহনবাগানের ঘুম ওড়াতে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদে খেলা প্লেয়ারকে দলে নিল ইস্টবেঙ্গল!

এদিকে, বাকি তিন অভিযুক্ত আনন্দ সর্দার, দিবাকর মন্ডল এবং কবীর মোল্লাকে নিয়ে এবার নতুন করে পুরো ঘটনার পুনর্নির্মাণ করবে SIT। নির্যাতিতার পরিবার যাতে সঠিক বিচার পায় সেটাই নিশ্চিত করবে রাজ্য সরকার। অন্যদিকে পরিবারের অনুরোধ মেনে সূর্যপুরে একটি পূর্ণাঙ্গ পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধন হয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি গোটা এলাকা মুড়ে ফেলা হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরায়। মৃতার পরিবারকে মুখ্যমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।

পরিবারের সমস্ত দাবি মেনে নেওয়ার পাশাপাশি ধর্ষিতা নাবালিকার পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার সাথেসাথে তাঁর বাবাকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কারা দপ্তরের চাকরি দেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে নির্যাতিতার বাবা জানিয়েছেন, তাঁর মানসিক অবস্থা আপাতত ভাল নেই। মানসিক দিক থেকে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠলে তিনি চাকরিতে যোগ দেবেন।