সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: এবার অন্নপূর্ণা যোজনায় (Annapurna Yojana) বাড়তি নজরদারি চালাতে বিরাট পদক্ষেপ গ্রহণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ইতিমধ্যেই প্রায় ১ কোটি ৪৫ লক্ষ মহিলার আবেদন ভেরিফাই করা হয়েছে, এবং তাঁদেরকে ১৭ আগস্ট থেকে ২০ আগস্টের মধ্যেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৩০০০ টাকা করে পাঠানো হবে বলে জানানো হয়েছে। বাদ গিয়েছে ১৭ লক্ষ মহিলার আবেদন। যদিও তারা পুনরায় আবেদন জানাতে পারবেন। তবে এবার মহিলাদের বড় দায়িত্ব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।
অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর
গতকাল উত্তর কলকাতা এবং দক্ষিণ কলকাতায় অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী থেকে শুরু করে অন্যান্য মন্ত্রীরা। পাশাপাশি ওই অনুষ্ঠানে বিজেপির মহিলা মোর্চার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন বলে খবর। তাঁদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, “আপনারা বাড়ি বাড়ি যান। যদি দেখেন কোনও ধনী পরিবারের কেউ অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পাচ্ছেন, তাহলে নির্দিষ্ট পোর্টালের মাধ্যমে অভিযোগ জানান। একই সঙ্গে যদি কেউ যোগ্য হয়েও টাকা না পান, সেই তথ্য রাজ্যের পোর্টালে তুলে ধরুন।”
আসলে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে মহিলাদের তথ্য যাচাই-বাছাই করা হলেও অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও সেই মহিলা টাকা পাচ্ছেন না, অথচ অনেক অযোগ্য মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা নিচ্ছেন। সেই কারণেই এবার মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণা। পাশাপাশি এও জানানো হয়েছে, যে সকল মহিলার নাম এই প্রকল্প থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁরা ৩০ সেপ্টেম্বরের পর ফের আবেদন করতে পারবেন। পাশাপাশি যাঁরা এখনও পর্যন্ত আবেদন করেননি, তাঁদের জন্য সোশ্যাল রেজিস্ট্রির পোর্টাল খুলে দেওয়া হবে ২০ আগস্টের পর।
আরও পড়ুন: বকেয়া ডিএ তো ছিলই, এবার PF-এ জমা টাকা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের মুখে রাজ্য সরকার
তবে হ্যাঁ, ২০ তারিখের মধ্যে যদি আপনার টাকা না ঢোকে, তাহলে অন্নপূর্ণা যোজনার অফিসিয়াল পোর্টালের মাধ্যমে দেখে নিতে পারবেন আপনার আবেদন বাতিল হয়েছে কিনা। এমনকি কেন বাতিল হয়েছে সেই কারণ জানিয়ে দেওয়া হবে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে। পাশাপাশি জানানো হয়েছিল, যে ১৭ লক্ষ মহিলার আবেদন বাতিল হয়েছে, তাঁদের মধ্যে প্রায় ১০ লক্ষ মহিলার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার লিঙ্কের সমস্যা রয়েছে। তবে পুনরায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে যাচাই করার ফলে এই প্রকল্পে আরও স্বচ্ছতা বজায় থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে।










