দুর্নীতি আটকে রেখেছিল মমতার সরকার, আজ থেকেই ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ কার্যকর মুখ্যমন্ত্রীর

Published:

Suvendu Adhikari

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করে যেন একের পর এক মাস্টারস্ট্রোক দিচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। গত সোমবার নবান্নের (Nabanna) সাংবাদিক বৈঠকে আয়ুষ্মান ভারত থেকে শুরু করে বর্ডারে বিএসএফদের জন্য জমি বরাদ্দ, চাকরিতে বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় ছাড় সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করেছিলেন তিনি। আর আজ ফের সাংবাদিক বৈঠকে একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স নীতি

আজ নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিজেপি সরকার এবার জিরো টলারেন্স নীতি নিচ্ছে। এই প্রতিশ্রুতি নির্বাচনের আগেই দেওয়া হয়েছিল, এবং এখন তার কার্যকর করার পালা। রাজ্যের কোনও সরকারি উচ্চপদস্থ আধিকারিকের বিরুদ্ধে যদি দুর্নীতির অভিযোগ থাকে, তাহলে সিবিআই বা অন্য তদন্তকারী সংস্থাকে চার্জশিট দিতে হলে সরকারের অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু তৃণমূল সরকার সেই জায়গায় কারচুপি করেছিল। আর এবার সেই ছাড়পত্র দিলেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন স্পষ্ট বলেছেন যে, সিবিআই-র চারটি মামলা গত চার বছর ধরেই আটকে রেখেছিল তৃণমূল সরকার। তদন্তকারী সংস্থাকে অভিযুক্তদের শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য রাজ্য সরকারকে অনুমতি নিতে হয়। কিন্তু দুর্নীতিগ্রস্ত আমলা ও আধিকারিকদের বাঁচানোর জন্য আগের সরকার সেই অনুমতি দেয়নি এবং তাদেরকে গা ঢাকা দিয়ে রেখেছিল। তবে আজ থেকেই সেই অনুমতি আমরা সিবিআইকে দিলাম। ইতিমধ্যেই ছাড়পত্রের কপি সিবিআই পেয়ে গিয়েছে।

আরও পড়ুন: দুর্নীতি করলেই লাইসেন্স বাতিল, রেশন নিয়ে চরম হুঁশিয়ারি খাদ্যমন্ত্রীর

এমনকি শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে পৌরসভা নিয়োগ দুর্নীতি, সমবায় দফতরের ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশে যে সমস্ত তদন্ত রয়েছে, তার বিরুদ্ধে যাতে সিবিআই কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে, তার জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়, আমরা বরাবরই বলেছিলাম যে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবশ্যই জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হবে। আর এখন থেকেই তা কার্যকর করলাম। এ বিষয়ে আরও পদক্ষেপ রাজ্যের মানুষ খুব তাড়াতাড়ি দেখতে পাবে। নতুন সরকারের কাছে মানুষের অনেক প্রত্যাশা। এগুলো সবই পূরণ হবে।