এবার তীর্থযাত্রা হবে আরও সহজ, সড়কপথে জুড়ছে তারাপীঠ ও দেওঘর

Published:

Tarapith Deoghar National Highway

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: পুণ্যার্থীদের জন্য বড় খবর! এবার এক সড়কপথেই জুড়তে চলেছে তারাপীঠ (Tarapith) এবং ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) জনপ্রিয় তীর্থস্থান দেওঘর (Tarapith Deoghar National Highway)। দীর্ঘদিন ধরেই, উন্নত সড়ক যোগাযোগ না থাকায় অনেকটা পথ ঘুরে ঘুরে যেতে হত তীর্থ যাত্রীদের। বিশেষ করে উৎসবের সময় যাতায়াত করা খুব চাপের হয়ে যায়। তাই সেই কথা মাথায় রেখে এবার ক্ষমতার পালাবদল হতেই সড়ক ব্যবস্থা নিয়ে বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করল রাজ্য প্রশাসন।

সড়কপথে জুড়ছে তারাপীঠ ও দেওঘর

সম্প্রতি, ১১৪এ জাতীয় সড়ক প্রকল্প নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আর বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বীরভূমের জেলাশাসক ধবল জৈন, বনদপ্তরের আধিকারিক, ভূমি দপ্তরের আধিকারিক-সহ অন্যান্য দপ্তরের বিশিষ্ট আধিকারিক এবং রামপুরহাট বিধানসভার বিধায়ক ধ্রুব সাহার প্রতিনিধি স্বরূপরতন সিনহা। অনলাইনের এই বৈঠকে যোগ দিয়েছিল ঝাড়খণ্ড প্রশাসনের একাধিক আধিকারিক। দুই রাজ্যের প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয় রেখে কীভাবে বাণিজ্য শিল্পের অগ্রগতি ঘটানো যায় তাই নিয়ে মূলত এই বৈঠক হয়েছিল।

কী বলছেন স্বরূপ রতন সিনহা?

বীরভূম জেলার সাংগঠনিক সহ-সভাপতি স্বরূপ রতন সিনহা বৈঠক প্রসঙ্গে বলেন “বীরভূম জেলার রামপুরহাটের মাঝখন্ড গ্রাম থেকে শুরু হয়ে ১১৪এ জাতীয় সড়ক ঝাড়খণ্ডের ভিতরে প্রবেশ করবে। এবং ঝাড়খণ্ডের দুমকার কালিপাথর গ্রামে এই রাস্তাটি শেষ হবে। মোট ১৫ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণ হবে যার মধ্যে ৯ কিলোমিটার বীরভূম জেলার এবং ৬ কিলোমিটার ঝাড়খণ্ডের অংশে রাস্তা নির্মাণ হবে।” জানা গিয়েছে এই ১৫ কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণের জন্য আনুমানিক খরচ হতে পারে ৯ কোটি টাকার কাছাকাছি। আশা করা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই রাস্তা তৈরির কাজ শুরু হবে।

আরও পড়ুন: রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য কড়া নিয়ম, জারি নির্দেশিকা

প্রসঙ্গত, সারা বছর দেশ-বিদেশ থেকে হাজার হাজার পুণ্যার্থী তারাপীঠ ও দেওঘরে আসেন। কিন্তু সরাসরি উন্নত সড়ক যোগাযোগ না থাকায় যাত্রীদের অতিরিক্ত পথ ঘুরে যেতে হত। তবে এবার সেই সমস্যা মিটতে চলেছে। প্রশাসনের দাবি, এই জাতীয় সড়ক চালু হলে শুধু ধর্মীয় পর্যটন নয়, এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্যেও বড় পরিবর্তন আসবে। নতুন দোকান, হোটেল, লজ, পরিবহণ পরিষেবা সহ একাধিক ছোট ব্যবসার সুযোগ তৈরি হবে। অর্থাৎ কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র যে অনেকগুণ বাড়বে সেটা বেশ বোঝা যাচ্ছে।