প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: তীব্র গরমে এপ্রিলের শুরু থেকেই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে তাপমাত্রা। ইতিমধ্যেই রাজ্যের একাধিক জেলায় পারদ পৌঁছেছে ৪০ ডিগ্রির উপরে। এমন পরিস্থিতিতে বাচ্চাদের (School Students) ভবিষ্যতের কথা ভেবেই তাই মাথায় হাত পড়েছে শিক্ষক (Teachers) এবং অভিভাবকদের। সকলের ভয় এখনই এমন হলে মে মাসে গরমের পরিস্থিতি কী হবে। তাই এবার এই তীব্র গরমে স্কুলে ক্লাসের সময় এগিয়ে আরও সকালে (Teachers Demanding Morning Classes) করার জন্য আবেদন করলেন শিক্ষকদের একাংশ।
স্কুলের সময় এগিয়ে আনার আর্জি
রিপোর্ট মোতাবেক, গত সোমবার, বিকাশ ভবনে শিক্ষাসচিবকে একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন শিক্ষকদের একাংশ। যেখানে তাঁরা আবেদন জানিয়েছেন, ”যে সব স্কুলে কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে, সেখানে এখন ছুটি। কিন্তু যে সব এলাকায় প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে, সেই সব এলাকাতে স্কুলগুলি খোলা। ফলে, এই তীব্র গরমে রোজ স্কুলে যেতে হচ্ছে পড়ুয়াদের। গরমের মধ্যে ঠাসাঠাসি করে পড়ুয়াদের বসতে হচ্ছে। এমনকি বেলার দিকে স্কুল থাকায় আসা-যাওয়া করতে গিয়ে গরমে কাহিল হয়ে পড়ছে পড়ুয়ারা। তাই আরও সকাল থেকে ক্লাস শুরু করার আবেদন জানানো হয়েছে।
পড়ুয়াদের জন্য পানীয় জল এবং ORS-এর ব্যবস্থা
গ্রামের দিকের বেশিরভাগ স্কুলে এখনও স্কুল পরিকাঠামো ঠিক নেই। বেশিরভাগ স্কুলে এখনও আলো পাখার ব্যবস্থা নেই। এদিকে প্রতি বছরই গরম বেড়ে গেলে আগেভাগে গরমের ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। তাতে উল্টে পঠনপাঠন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে আগেই গরমের ছুটি দেওয়ার পরিবর্তে ক্লাসের সময় এগিয়ে সকালে করার প্রস্তাবে সকলেই আর্জি জানিয়েছে। সেই সঙ্গে পড়ুয়াদের জন্য স্কুলে যথেষ্ট পরিমাণ পানীয় জল এবং ORS-এর ব্যবস্থা থাকে, সেই ব্যাপারেও আবেদন জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘ভয় দেখানো হচ্ছে..’ ভোট দিয়েই অবজার্ভারদের নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অভিষেক
শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারী জানিয়েছেন, “জেলার পরিস্থিতি অনুযায়ী, আমরা ভোরে স্কুল চালু করার নির্দেশিকা জারির আবেদন জানিয়েছি শিক্ষা দফতর, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদে। এখন দেখার তাঁরা কী মতামত দেন।” শিক্ষা দফতরের এক কর্তা জানিয়েছেন, স্কুলের সময় এগিয়ে আনার কোনও পরিকল্পনা এখনও করা হয়নি। যদি কিছু হয়, তাহলে সেই সিদ্ধান্ত ভোটের পরে নেওয়া হবে।”










