প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ফের চর্চায় উঠে এল অভিন্ন দেওয়ানি বিধি সংক্রান্ত বিল (Uniform Civil Code Bill)! আজ, সোমবার বিধানসভায় (West Bengal Assembly) পেশ হচ্ছে না অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বা ইউসিসি বিল। জানা গিয়েছে, আপাতত এই সংক্রান্ত বিষয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে। থাকবে চেয়ারম্যানও। বিবৃতি দিয়ে সেই কমিটি গঠনের কথা জানাবেন খোদ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
আজ পেশ হবে না অভিন্ন দেওয়ানি বিধি
প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, আজ অর্থাৎ সোমবার বিধানসভায় পেশ হওয়ার কথা ছিল অভিন্ন দেওয়ানি বিধি সংক্রান্ত বিল বা ইউসিসি বিল, কিন্তু সেটি আজ পেশ হচ্ছে না। আপাতত জানা গিয়েছে, এই বিলের রূপরেখা তৈরি করতে গঠন করা হবে একটি কমিটি। এমনকি সকলের সিদ্ধান্তে এই কমিটির চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হবে। তবে জল্পনা করা হচ্ছে এই কমিটির চেয়ারম্যান হতে পারেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাই। থাকবেন বিভিন্ন বিরোধী দলনেতারাও। যদিও এখনও পুরোপুরি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। হয়ত আজ এই ব্যাপারে পরে বিবৃতি দিয়ে সেই কমিটি গঠনের কথা জানাবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
বিবৃতি দেবেন মুখ্যমন্ত্রী
নবান্ন সূত্রে খবর, আজ, সোমবার বিধানসভায় যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি সংক্রান্ত বিষয়ে একটি বিবৃতি দিতে পারেন তিনি। এদিকে আগামী ৭ জুলাই থেকে বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে। সেই সময় বিলটি আনা হবে কি না, তা ঠিক করবে আইন দফতর। বর্তমানে আপাতত আইন দফতর রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাতে। অর্থাৎ তাঁর সিদ্ধান্তেই সম্পূর্ণটা জানা যাবে। আসলে এমন একটি সংবেদনশীল বিষয়ের উপর বিল আনার ক্ষেত্রে অনেক বেশি সাবধানি থাকতে চাইছে সরকার। কোথাও যাতে কোনও ফাঁকফোকর না থাকে সেটাই এখন মূল লক্ষ্য।
আরও পড়ুন: বিজেপি সরকার আসতেই মুখে হাসি ৩ হাজার শ্রমিকের, ৭ মাস পর খুলছে কাঁকিনাড়া জুটমিল
প্রসঙ্গত, বিজেপি সরকার মনে করছে, বিবাহ, বিবাহবিচ্ছেদ, উত্তরাধিকার, দত্তক গ্রহণ এবং লিভ-ইন সম্পর্ক সংক্রান্ত বিভিন্ন ব্যক্তিগত আইনের পরিবর্তে একটি অভিন্ন দেওয়ানি আইন চালু হওয়া খুব জরুরি। তাতে আইনের শাসন আরও শক্তিশালী হবে এবং নারী-পুরুষের সমানাধিকারের ক্ষেত্রেও তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। উত্তরাখণ্ড, গুজরাত ও অসমে ইতিমধ্যেই অভিন্ন দেওয়ানি আইন কার্যকর হতে গিয়েছে, এবার পালা পশ্চিমবঙ্গের। তবে আপাতত রাজ্যে যে বেশ কিছুদিনের জন্য পিছিয়ে গেল এই বিল পেশের দিনক্ষণ, তা বলাই যায়।










