পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কর্মীদের পদোন্নতির তোড়জোড় শুরু, নবান্নে রিপোর্ট জমার নির্দেশ

Published:

Government of West Bengal

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ক্ষমতায় এসেই বাংলায় একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়ে চলেছে নতুন সরকার (Government of West Bengal)। সেইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসতেই শুভেন্দু অধিকারী একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে চলেছেন। এবারেও যার ব্যতিক্রম ঘটবে না। তবে এবার সরকার এমন এক নির্দেশিকা জারি করেছে যারপরে সকল সরকারি কর্মীর মুখে হাসি ফুটবে। নতুন সরকার আসতেই বহু সরকারি কর্মীর পদোন্নতির (Promotion) জন্য বিশেষ রিপোর্ট তলব করা হয়েছে বলে খবর। সেক্ষেত্রে একটু নির্দেশিকা অবধি জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

পদোন্নতির তোড়জোড় শুরু করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার

সূত্রের খবর, গত ১৪ মে একটি বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে সরকার। সেখানে সাফ সাফ জানানো হয়েছে, পদোন্নতির জন্য কর্মীদের একটি নির্দিষ্ট সময়ের বার্ষিক রিপোর্ট (APR/APAR) দ্রুত নবান্নে পাঠাতে হবে। ১ এপ্রিল ২০২৫ থেকে ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত সময়কালকেই এই মূল্যায়নের আওতায় রাখা হচ্ছে। সেই অনুযায়ী রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুরোদমে কাজ শুরু হওয়ার দরুণ সকলের উন্মাদনা তুঙ্গে রয়েছে। আগামী ১ জুন, ২০২৬-এর মধ্যে রিপোর্ট নবান্নে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদিও এখানে ট্যুইস্ট রয়েছে।

সবাই নাও পেতে পারেন প্রমোশন

এখন নিশ্চয়ই ভাবছেন কী ট্যুইস্ট? সেক্ষেত্রে জানিয়ে রাখি, সবাই কিন্তু আবার এই পদোন্নতি নাও পেতে পারেন। রিপোর্ট তৈরির সময়ে যাতে বিষয়টি স্বচ্ছ থাকে সেটার ওপর বিশেষ নজর রাখছে সরকার। সূত্রের খবর অনুযায়ী, বার্ষিক রিপোর্টের পাশাপাশি পদোন্নতির প্রক্রিয়া দাগহীন হয় সেক্ষেত্রে কর্মীদের সম্পর্কে আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও তথ্য চাওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে কোনও বিভাগীয় মামলা বা ভিজিল্যান্স তদন্ত চলছে কি না তার বিস্তারিত তথ্যও চাওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নিয়মিত বার্ষিক সম্পত্তির হিসাব জমার খতিয়ানও লাগছে। যদি কারোর তথ্য গরমিল থাকে তাহলে সে পদোন্নতি পাওয়ার যোগ্য হবেন না বলে খবর। অর্থাৎ আগের তুলনায় হয়তো নজরকাড়া কড়াকড়ি হতে চলেছে।

আরও পড়ুনঃ এবার থেকে ৫ টাকাতেই মিলবে মাছ-ভাত! মা ক্যান্টিনের মেনুতে বড় বদল

এমনকি যাকে পদোন্নতি দেওয়া হবে তিনি তা আদৌ গ্রহণ করবেন না সেটা সরকারকে জানাতে হবে। মোবাইল নম্বর-সহ একটি সম্মতিপত্র জমা দিতে বলা হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁরা তফসিলি জাতি, উপজাতি শ্রেণিভুক্ত কিনা সেই তথ্য এবং সার্ভিস বুকের তৃতীয় পৃষ্ঠার স্বাক্ষরিত কপিও জমা দিতেও বলা হয়েছে।