সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজ চৈত্রের শেষ, আগামীকাল বৈশাখের শুরু। তবে দক্ষিণবঙ্গ (South Bengal) সহ গোটা রাজ্যে যেন গরমে নাজেহেল অবস্থা। রোদ্দুরের তেজ আর আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিতে পড়ুয়াদের স্কুলে যাওয়া কার্যত দুর্বিষহ হয়ে পড়ছে। এরই মধ্যে এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন উঠছে, এ বছর কি তাহলে গরমের ছুটি (Summer Vacation) এগিয়ে আসবে? রাজ্যের শিক্ষা দফতরের তরফ থেকে যদিও এখনো পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত ইঙ্গিত মেলেনি। কিন্তু পরিস্থিতি আর সরকারি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কী সম্ভাবনা রয়েছে তা জেনে নিন এই প্রতিবেদনে।
এগিয়ে আসছে গরমের ছুটি?
উল্লেখ্য, কয়েক বছর ধরে তীব্র দাবদাহের কারণে পশ্চিমবঙ্গে গরমের ছুটি নির্ধারিত সময়ের আগেই ঘোষণা করে দেওয়া হয়েছে। আর এ বছরও তার ব্যতিক্রম হবে না বলেই মত প্রকাশ করছে বিশেষজ্ঞরা। এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর অনেক রাজ্যে ইতিমধ্যেই স্কুলের সময়সূচিও পরিবর্তন করা হয়েছে। এদিকে সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ৩০ থেকে ৪৫ দিনের দীর্ঘ গ্রীষ্মকালীন ছুটি সাধারণত মে মাসের মাঝামাঝি থেকেই শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু যদি তীব্র তাপপ্রবাহ চলতে থাকে, তাহলে হয়তো এপ্রিলের শেষ সপ্তাহেই নির্দেশিকা জারি করে ছুটি ঘোষণা করা হতে পারে।
প্রসঙ্গত, গরমের ছুটির আগে চলতি এপ্রিল মাসে একাধিক ছুটি রয়েছে। যেমন ১৪ এপ্রিল অর্থাৎ আজ ডঃ বি আর আম্বেদকরের জন্ম জয়ন্তী উপলক্ষে রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি স্কুল ছুটি। আগামীকাল ১৫ এপ্রিল পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে গোটা রাজ্যের স্কুল-কলেজ ছুটি। পাশাপাশি ১৭ এপ্রিল চন্দ্রশেখর জয়ন্তী উপলক্ষে আঞ্চলিক ছুটি রয়েছে।
আরও পড়ুন: চোখ জুড়াবে ৭ পাহাড়, তিস্তা দেখে, ঘুরে আসুন উত্তরবঙ্গের অফবিট ভালুখোপ থেকে
তবে এ বছর গরমের ছুটির সঙ্গে পাল্লা দিয় বিধানসভা ভোটের উত্তাপও বাড়ছে। অনেক স্কুলেই ভোটকেন্দ্র এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকার জায়গা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সেই কারণে আগেভাগেই সেই স্কুলগুলিতে ছুটি দেওয়া হচ্ছে। যার ফলে গরমের ছুটি এবং ভোটের নির্ঘণ্ট মিলিয়ে এপ্রিলের শেষ থেকে মে মাস পর্যন্ত স্কুলগুলোতে পঠন-পাঠনের অনিয়ম হওয়ার সম্ভাবনা আছে। তবে শিক্ষা দফতর এখন কী জানায় সেই দিকেই নজর থাকবে সকলের।










