প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: অদ্ভুত ব্যভিচারের ঘটনা ঘটল হুগলিতে (Hooghly)। পাশে স্বামী শুতেই তাঁর যৌনাঙ্গ টেনে ছিঁড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেন স্ত্রী, আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ওই ব্যক্তি। স্ত্রীর পরকীয়া ও নিত্যদিন অশান্তির (Domestic Violence) জেরে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। শেষে স্বামীর প্রতি রাগ সহ্য করতে না পেরে স্ত্রীর ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে যায় এবং এই ভয়ংকর ঘটনা ঘটে যায়। আর এই ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসতেই তুমুল শোরগোল শুরু হয়ে গেল এলাকা জুড়ে।
ঠিক কী ঘটেছিল?
প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, হুগলির গোঘাট এলাকায় কুন্তল পাল নামের এক ব্যক্তি দুই বছর আগে পরিবারের দেখাশোনা করা একটি মেয়েকে বিয়ে করে। তাঁদের এক সন্তানও রয়েছে। কিন্তু তারপরেই নাকি শুরু হয়েছিল অশান্তি। দিনের পর দিন ঝামেলা অশান্তি লেগেই ছিল, শুধু তাই নয়, স্বামীর অভিযোগ স্ত্রীয়ের নাকি অন্য সম্পর্ক রয়েছে। প্রায় ৬-৭ মাস নাকি স্ত্রী স্বামীকে পাশে শুতে দিত না। এই নিয়ে অশান্তি হওয়ার পর স্বামীর যৌনাঙ্গ টেনে ছিঁড়ে নেওয়ার চেষ্টা করলেন স্ত্রী। প্রথমে তাঁকে নিয়ে কামারপুকুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, কিন্তু অবস্থা ভয়ংকর বুঝে রেফার করা হয় আরামবাগ মেডিকেল কলেজে। আপাতত চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন তিনি।
কী বলছেন স্বামী?
চিকিৎসক জানিয়েছেন যে, ওই ব্যক্তির যৌনাঙ্গ ফুলে ছোট হয়ে গিয়েছে, তবে আপাতত ভয়ের কিছু নেই। এই নিয়ে আহত স্বামী কুন্তল জানিয়েছেন, “আমার উপর দিনের পর দিন শারীরিক নির্যাতন হয়েই চলেছে, প্রথমে এই অশান্তি নিয়ে এলাকায় নানা সমালোচনা হয়েছিল, পড়ে সব মীমাংসা করা হয়েছিল, বলা হয়েছিল আলাদা থাকতে আমি আলাদা থেকেও ছিলাম, কিন্তু আমার স্ত্রী এই সুযোগে অন্য কারোর সঙ্গে সম্পর্ক পাতিয়েছে, আর সেটা জানতেই আমার উপর নানারকম নির্যাতন করে চলেছে আমার স্ত্রী।
আরও পড়ুন: বাড়ি পিছু ১২০০ টাকা কর, পঞ্চায়েতের আয় বাড়াতে নির্দেশ জারি রাজ্য সরকারের
এদিকে স্ত্রীর অসহনীয় রাগের ভয়াবহ পরিণতির অভিজ্ঞতা এই প্রথমবার নয়। কুন্তলের দাবি, এর আগেও নানাভাবে তাঁকে মারতে চেয়েছিলেন স্ত্রী। বিষয়টি শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বারবার জানিয়েছিলেন তিনি। আর্তি জানিয়েছিলেন মেয়েকে বোঝাতে। কিন্তু, তাঁরা কোনও পদক্ষেপ করেনি বলে আক্ষেপ কুন্তলের। এদিকে এতকাণ্ডের পরেও স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের বিষয়ে নিশ্চিত নন তিনি। অন্যদিকে আবার স্ত্রীও এই নিয়ে মুখ খোলেননি।










