দুর্গাপুজোর আগে কি মিলবে ২০% ডিএ? ফের উঠল প্রশ্ন

Published:

সহেলি মিত্র, কলকাতা: সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ডিএ (Dearness allowance) নিয়ে জলঘোলার মাত্রাও বাড়ছে বাংলায়। সেই তৃণমূল হোক বা নতুন বিজেপি সরকার, সরকারি কর্মীদের ভাগ্য যেন বদলাতেই চাইছে না। এদিকে সুপ্রিম কোর্টে পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় থাকা বকেয়া ডিএ নিয়ে শুনানি পিছিয়েই যাচ্ছে। এক কথায় বিরক্ত, ক্ষুব্ধ ও হতাশ বাংলার কয়েক লক্ষ সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশনভোগী। এসবের মাঝেই নতুন করে সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন সরকারি কর্মীরা। ৪% ডিএ কোথায়? প্রশ্ন তুললেন সকলে।

কবে মিলবে ৪% ডিএ?

আবারও একবার প্রশ্ন তুলেছেন কনফেডারেশন অফ স্টেট গভঃ এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায়। তিনি একটি ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে ৪% ডিএ অধরা। অথচ পুজোর আগে বেতনের সঙ্গে ২% ডিএ দেওয়া হবে, এই বার্তা আর কতবার শুনতে হবে? অথচ গ্রান্ট ইন এইড, কর্মচারীদের ডিএ বা এখনো যে কলকাতা কর্পোরেশন এলাকায় যে সকল অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীরা বসবাস করেন তাঁদের বকেয়া ডিএ এখনও কেন দেওয়া হচ্ছে না? সেই বার্তা তো মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর মুখ থেকে শুনতে পাওয়া যাচ্ছে না।’

উল্লেখ্য, গত ২৩ জুলাই বিচারপতি সঞ্জয় কারোল ও প্রশান্ত কুমার মিশ্রর স্পেশাল বেঞ্চে মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। যদিও শীর্ষ আদালতের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয় নির্দিষ্ট দিনে শুনানি হবে না। এই ঘটনার ফলে নতুন করে সরকারি কর্মীদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে সেটা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। এহেন পরিস্থিতিতে ডিএ সহ আরও বেশ কিছু ইস্যুতে আগামী ৩০ জুলাই আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষক সংগঠনগুলি।

আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রী স্কলারশিপ প্রকল্পে মিলবে ১০ হাজার টাকার বৃত্তি, কীভাবে ও কোথায় আবেদন?

জানা গিয়েছে, ৮টি বাম শিক্ষক সংগঠন এই আন্দোলন করবে বলে খবর। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী ৩০ জুলাই দুপুর ২টো নাগাদ সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যার থেকে মিছিল করে রানি রাসমণি অ্যাভিনিউয়ে সমাবেশ হওয়ার কথা। ডিএ বা মহার্ঘ্য ভাতার পাশাপাশি টেট নিয়েও যাতে দ্রুত সুরাহা হয়, সেই দাবিতেও এদিন আন্দোলন চলবে বলে খবর। এই বিষয়ে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষকদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, তৃণমূল সরকারের আমল থেকেই এই মহার্ঘ ভাতা নিয়ে নানা টালবাহানা চলছে। সুপ্রিম কোর্ট বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার রায় দিয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শিক্ষকেরা তা আদৌ পাবেন কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল।