সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (Pradhan Mantri Awas Yojana) নিয়ে সরকার বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আপনিও কি পিএম আবাস প্রকল্পে (PM Awas Yojana) বারবার আবেদন করেছেন অথচ আবেদন গ্রহণ হচ্ছে না? তাহলে আজকের এই খবরটি রইল আপনার জন্য। সরকার খুব শীঘ্রই হয়তো প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার নিয়ম শিথিল করতে পারে। নবান্নের তরফে কেন্দ্রের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা করতে চাইছেন। আশা করা হচ্ছে, দুই পক্ষের মধ্যে যদি আলোচনা ফলপ্রসূ হয় তাহলে আগের তুলনায় আরও মানুষ লাভবান হবেন।
নিয়ম শিথিল হবে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার?
আসলে নিয়ম অনুযায়ী, যাঁদের বাড়ি নেই অথবা পাকা বাড়ি নেই, তাঁরাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। অথচ বহু যোগ্য উপভোক্তা শুধু মাত্র অ্যাসবেস্টস বা করোগেটেড শিট থাকার কারণে বাদ চলে যান। সেক্ষেত্রে রাজ্য প্রশাসনের বক্তব্য, অনেকেই আছেন যারা দুর্যোগ বা ভারী বৃষ্টি থেকে বাঁচতে বাড়ির ছাদ কিছুটা মজবুত করেন। কেন্দ্রের নিয়ম অনুযায়ী, পাকা বাড়ি থাকলে কোনওভাবেই এই প্রকল্পে আবেদন করা যাবে না। যদিও আগামী দিনে কি কপাল খুলবে অনেকের? রাজ্য চাইছে না যারা যোগ্য তাঁদের অল্প পাকা ছাদ হলেও চলে যাক।
আরও পড়ুনঃ প্রেমে প্রতারিত হয়ে IAS হওয়ার প্রতিজ্ঞা, ৩য় প্রচেষ্টায় UPSC ক্র্যাক করে জিদ পূরণ আদিত্যর
সেক্ষেত্রে এক সরকারি কর্মকর্তার মতে, “বহু গরিব মানুষের বাড়ি মাটির হলেও, তাঁরা বৃষ্টি বা দুর্যোগ থেকে বাঁচতে কষ্ট করেও ছাদ তুলনায় কিছুটা মজবুত করার চেষ্টা করেন। তাই শুধু এই কারণে তাঁদের বাদ যাওয়া উচিত নয়। সেই কারণেই এই পরিকল্পনা।” সূত্রের খবর, তৃণমূল সরকারের শেষ পাঁচ বছরে যত উপভোক্তাকে যে দু’টি দফা মিলিয়ে প্রায় ৪৩ লক্ষ বাড়ি তৈরির টাকা দেওয়া হয়েছিল, ইতিমধ্যেই সেই তালিকা পুনর্যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। এখান থেকে আবার বহু অযোগ্যের নাম বাদ যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আবাস যোজনায় এবার ‘কোটা’ সিস্টেম
সূত্রের খবর, আবাস যোজনায় খুব সম্ভবত কোটা সিস্টেম লাগু হতে পারে। আবাস প্রকল্পে পশ্চিমবঙ্গের জন্য ‘কোটা’ অর্থাৎ একটি আর্থিক বছরে কত জন উপভোক্তাকে বাড়ির টাকা দেওয়া হবে, এমন বরাদ্দ করবে কেন্দ্র। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা-গ্রামীণ (PMAY-G)-এর অধীনে ১২টি রাজ্যকে ১০,০২১.৪২ কোটি টাকার মূল অনুমোদন প্রদান করেছেন। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আসাম, ছত্তিশগড়, গুজরাট, হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, কর্ণাটক, কেরালা, পাঞ্জাব, রাজস্থান, তামিলনাড়ু এবং উত্তর প্রদেশ রাজ্যগুলিকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।










