বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পরই দু ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস (Trinamool Congress)। একদল রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সাথে। অন্য দল গিয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে দুই দলেরই দাবি, তাঁরাই আসল তৃণমূল। এদিকে প্রতীক নিয়ে টানাটানির মাঝেই এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঠিক করে ফেলেছেন জোড়া ফুল হাতছাড়া হলে তিনি কী করবেন! তৃণমূল নেত্রী জানান, ঘাসের উপর জোড়া ফুল প্রতীক হাতছাড়া হয়ে গেলেও ফুলেই থাকবেন তিনি। তবে সেটা অন্য ফুল!
প্রতীক হাতছাড়া হওয়ার আগেই দ্বিতীয় প্ল্যান তৈরি মমতার!
তৃণমূল কংগ্রেস মানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনটাই বোঝেন কালীঘাট পন্থীরা। 1997 সালে তৃণমূলের ঘাসের উপর জোড়া ফুল প্রতীক বেছে নিয়েছিলেন কংগ্রেস ছেড়ে আসা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকে লড়াই করে দলটাকে বাংলার মাটিতে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন তিনি। এই দলের শক্তিকে কাজে লাগিয়েই তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী থেকেছেন মমতা। তবে তিনি এখন প্রাক্তন। তবে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার ছাড়লেও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। কিন্তু প্রতীক চলে গেলে কী করবেন?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, দলের প্রতীক যদি হাতছাড়া হয়ে যায় তবে তিনি অন্য ফুল নিয়ে লড়াই করবেন। তবে এখন শোনা যাচ্ছে, প্রতীক হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার আগেই নিজের বিকল্প প্ল্যান তৈরি করে ফেলেছেন মমতা। সেটা অবশ্য এখনই সর্বসমক্ষে জানাতে চাইছেন না তিনি। শোনা যাচ্ছে, প্রতীক হাত থেকে ফসকে গেলে দ্বিতীয় ফুলে ঝাপানোর সাথে সাথে আইনি লড়াই চালিয়ে যাবেন মমতা।
অবশ্যই পড়ুন: টুলুর মূল অফিস সিল করল পুলিশ, মেয়ের পেট্রোল পাম্পেও তালা! দুবাইতে গা ঢাকা দিলেন অভিযুক্ত
সম্প্রতি প্রতীক ইস্যুতে মুখ খুলে তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, “তৃণমূল কংগ্রেস মানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানেই তৃণমূল কংগ্রেস। আমাদের দল সব কিছুর জন্য তৈরি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই একটা ব্র্যান্ড। দলীয় প্রতীক শুধু একটা আনুষ্ঠানিকতা।” সব মিলিয়ে বলাই যায়, প্রতীক হাতছাড়া হওয়া নিয়ে আগে থেকেই মানসিক প্রস্তুতি রাখছে কালীঘাট তৃণমূল।










