অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্মে ভুল করেছেন? টাকা পাবেন কিনা জানুন

Published:

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: প্রতিশ্রুতি মতোই হচ্ছে কাজ। জুন মাসের ৩ তারিখেই মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে কড়কড়ে ৩০০০ টাকা। প্রথম ধাপে ২৮ লক্ষ মহিলা পেয়েছে সুবিধা। তবে এখনও পর্যন্ত অনেকে আবেদন করে উঠতে পারেনি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারে (Annapurna Bhandar)। যদিও অফলাইনের পাশাপাশি অনলাইনেও চলছে আবেদন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, ১৩ পাতার এই ফর্মে অনেকেই আবেদন করার সময় ছোটখাটো ভুল করতে পারে। সেক্ষেত্রে কী করনীয়?

আবেদনপত্রে ভুল হলে….

অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এবার ১৩ পাতার একটি আবেদন ফর্ম প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে আবেদনকারী থেকে শুরু করে তার পরিবারের সদস্যদের ব্যক্তিগত তথ্য, শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্য, আয় সংক্রান্ত তথ্য বিস্তারিত চাওয়া হচ্ছে। এমনকি এ নিয়ে ধন্দায় ভুগছেন অনেকেই। আসলে আবেদন ফর্মের ৫, ৬ এবং ৭ নম্বর পাতায় যে সমস্ত তথ্য চাওয়া হচ্ছে সেগুলি ভুল করলে তৎক্ষণাৎ বাতিল হয়ে যেতে পারে আবেদনপত্র।

রিপোর্ট বলছে, যদি আবেদনকারী ইচ্ছা করে ভুল তথ্য প্রদান করে, তাহলে সরকারের তরফ থেকে তাকে সম্পূর্ণ ব্ল্যাকলিস্টেড করে দেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ ভবিষ্যতে সে আর কোনও রকম সরকারি সুবিধার জন্য আবেদন ফর্ম পূরণ করতে পারবে না। যদিও রাজ্য সরকারের তরফ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, যারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেতেন তারাই পাবেন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার। প্রথমে বলা হয়েছিল এর জন্য আলাদা করে আবেদন করতে হবে না। কিন্তু লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে ব্যাপক পরিমাণ দুর্নীতির পরিসংখ্যান থেকে শিক্ষা নিয়েই নতুন করে আবেদনের ব্যবস্থা করা হয়েছে নতুন সরকারের তরফ থেকে।

আরও পড়ুনঃ অবশেষে চালু হল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের অনলাইন ফর্মফিলাপ, কীভাবে করবেন দেখে নিন ধাপে ধাপে

এদিকে ফর্মের শেষে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আমি এই মর্মে ঘোষণা করছি, উপরে প্রদত্ত তথ্য আমার জ্ঞান এবং বিশ্বাস অনুযায়ী সত্য এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রেই প্রদান করছি। আর উল্লেখিত কোনও মানদণ্ড বাদ দিইনি। আমি অবগত যে আমার দেওয়া তথ্য কোনও মিথ্যা প্রমাণিত হলে আমার সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত সুবিধা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই স্পষ্টভাবে বলা যায় যে, ইচ্ছাকৃতভাবে যদি কোনও ভুল তথ্য দেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে সেই আবেদনকারী সমস্যায় পড়তে পারে। কিন্তু হ্যাঁ, আবেদন করার পর তা আর সংশোধন করা যাবে কিনা সেই সংক্রান্ত তথ্য এখনও পর্যন্ত রাজ্য সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়নি।