রাজ্যের ‘জিরো-এনরোলমেন্ট’ স্কুলে নজর, ৩০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ

Published:

Zero Enrollment School

সহেলি মিত্র, কলকাতা: বড় উদ্যোগ নিল পশ্চিমবঙ্গ স্কুল শিক্ষা দফতর। পশ্চিমবঙ্গের শূন্য-ভর্তির (Zero Enrolment School) স্কুলগুলির পরিকাঠামো যাচাই করে বিকল্প ব্যবহারের উদ্যোগ নিল স্কুল শিক্ষা দফতর (School Education Department)। গত ১৬ সেপ্টেম্বর একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সেই নির্দেশিকায় প্রতিটি জেলায় জেলাশাসকের নেতৃত্বে কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে। কমিটি স্কুল ভবন, জমি ও অন্যান্য পরিকাঠামোর বর্তমান অবস্থা, মালিকানা, সুযোগ-সুবিধা ও ব্যবহারযোগ্যতা খতিয়ে দেখবে।

স্কুলগুলি নিয়ে বিশেষ নির্দেশিকা জারি

জানা গিয়েছে, অব্যবহৃত বা কম ব্যবহৃত স্কুল ভবনকে স্থানীয় প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, এআরডি কেন্দ্র বা অন্যান্য সরকারি কাজে ব্যবহারের প্রস্তাব তৈরি করা হবে। যেখানে সম্ভব, স্কুলের পরিকাঠামো পুনরুজ্জীবন বা পুনর্গঠনের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হবে। প্রতিটি জেলার সমন্বিত রিপোর্ট ও সুপারিশ স্কুল শিক্ষা দফতরে পাঠাতে হবে। তবে কোনও শিশুই যাতে স্কুলের সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়টি বিশেষভাবে নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কমিটি গঠনের নির্দেশ সরকারের

আপাতত প্রতিটি জেলায় চার সদস্যের কমিটি গড়ার নির্দেশ দিল স্কুলশিক্ষা দফতর। অতিরিক্ত মুখ্যসচিব বিনোদ কুমার ২৩ জন জেলাশাসক ও কলকাতা পুরসভার কমিশনারকে এ ব্যাপারে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন। পিপিই মডেলে কোনও বন্ধ স্কুলকে ফের শিক্ষাদানের কাজে চালু বা পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব কি না, তাও খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে কমিটিকে।

আরও পড়ুনঃ বর্ষায় বিচ্ছিন্ন গ্রাম, কোলে ৯ মাসের সন্তানকে নিয়ে রোজ উত্তাল নদী পার করে স্কুল আসেন শিক্ষিকা

সরকারি নির্দেশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে জেলা কমিটিগুলিকে স্কুলের বিস্তারিত তথ্য, সামগ্রিক রিপোর্ট এবং পরিকাঠামোর বিকল্প ব্যবহারের প্রস্তাব স্কুলশিক্ষা কমিশনারের কাছে জমা দিতে হবে। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রিপোর্ট ও প্রস্তাব খতিয়ে দেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। পাশাপাশি, জমি সংক্রান্ত কাজ দ্রুত মেটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।