সৌভিক মুখার্জী, বারাসাত: অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Bhandar) নিয়ে এখন রাজ্যবাসীর মধ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে। নতুন করে আবেদন করতে হবে নাকি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প থেকেই সরাসরি অন্নপূর্ণা ভান্ডারে ট্রান্সফার হবে তা নিয়ে চলছে জল্পনা। যদিও কাল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জানিয়েছেন যে, বুধবার থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম বিলি শুরু হবে। সেখানে আবার নতুন করে আবেদন করতে হবে, এবং যত তাড়াতাড়ি আবেদন সম্ভব হবে তাদের ততো তাড়াতাড়ি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ৩০০০ টাকা করে ঢুকবে। এবার শোনা গেল, পোস্ট অফিসের মাধ্যমেই চলবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদন।
পোস্ট অফিসেই করা যাবে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের আবেদন
আসলে সম্প্রতি পোস্ট অফিসে অন্নপূর্ণা যোজনার নাম নথিভুক্ত করতে আধার সংক্রান্ত কাজের জন্য প্রচুর ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সেই সূত্রে হঠাৎ করে গত সোমবার খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া (Ashok Kirtania) বারাসাত পোস্ট অফিসে তদারকি করতে যান। আসলে অনেকের আধার নম্বরের সঙ্গে ফোন নম্বর লিঙ্ক নেই। যে কারণেই লাইনের পর লাইন পড়ছে পোস্ট অফিসগুলিতে। কারণ, এই কাজগুলি সাধারণ সাইবার ক্যাফেতে হয় না। পোস্ট অফিস বা আধার সেন্টারে গিয়েই করতে হয়। আর আধার নম্বরের সঙ্গে মোবাইল নম্বর লিঙ্ক না থাকলে ডিবিটি করা যাচ্ছে না। ফলে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট যোগ করতে অসুবিধা হচ্ছে।
সেই তথ্য খতিয়ে দেখতে আসেন খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া। সেখানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে তিনি জানান যে, আগামী ৩০ তারিখের মধ্যেই অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সমস্ত কাজ শেষ করতে হবে, যাতে ১ জুন থেকেই মহিলারা অ্যাকাউন্টে টাকা পেতে পারে। এমনকি এই কাজের জন্য আরও কাউন্টার করার দরকার। কারণ, লক্ষীর ভাণ্ডার থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যোজনা ট্রান্সফার করার জন্য বারাসাতে ছিল মাত্র দুটি কাউন্টার। তিনি জানিয়েছেন যে, পোস্ট মাস্টার আশ্বাস দিয়েছেন, লোকজন বাড়লে কাউন্টার আরও বাড়ানো হবে।
আরও পড়ুন: ক্ষমতায় এসেই মানবিক সিদ্ধান্ত, ১৪ লক্ষ কৃষকের ঋণ মুকুব করল তামিলনাডু সরকার
এমনকি পোস্ট অফিসের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, কিছু কর্মী এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে গিয়েছেন। খুব তাড়াতাড়ি একাধিক কাউন্টার খুলে সেই সমস্যা সমাধান করা হবে। যার ফলে আর লাইনের পর লাইনে দাঁড়াতে হবে না। পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় অনেকেই সিএএ ক্যাম্পে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেছেন। সেগুলি পোস্ট অফিসের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে। সেই কারণেই পোস্ট অফিসে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষের।










