খাস কলকাতায় বাতিস্তম্ভের লাইট খুলে পড়ল মাথায়, মৃত্যু ৬ বছরের শিশুর

Published:

Child Death

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সাতসকালে ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা! হেস্টিংসে (Hastings) বাতিস্তম্ভের লাইট খুলে পড়ে মৃত্যু ৬ বছরের শিশুর (Child Death)। মাথায় গুরুতর চোট লাগায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা নাবালিকাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তুমুল শোরগোল পড়ে যায় এলাকায়। পরিবারের তরফে বাতিস্তম্ভের রক্ষণাবেক্ষণের গাফিলতির অভিযোগ তোলা হচ্ছে।

ঠিক কী ঘটেছিল?

সূত্রের খবর, হেস্টিংসে উড়ালপুলের তলায় পরিবারের সঙ্গে থাকত গুড়িয়া খাতুন নামে ছ’বছরের ওই শিশু। আজ, সোমবার সকাল ৭টা নাগাদ, ঘুম থেকে উঠেই খেলায় মগ্ন ছিল শিশুটি, ঠিক সেই সময় একটা লাইট খুলে ওই শিশু কন্যার মাথার উপর পড়ে। ঘটনায় গুরুতর আহত হয় সে। লুটিয়ে পড়ে মাটিতে। রক্তে ভেসে যায় রাস্তা। তড়িঘড়ি পরিবারের লোকেরা হাসপাতালে শিশুকন্যাকে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরাও তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। সাতসকালে এইরূপ মর্মান্তিক ঘটনায় ভেঙে পরে গোটা পরিবার। কিন্তু কী ভাবে এই দুর্ঘটনাটি ঘটল, তা প্রাথমিক ভাবে স্পষ্ট নয়।

ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে দেহ

নিহত গুড়িয়ার বাবা পেশায় একজন দিনমজুর। প্রতিদিনের মতো আজও দিনি কাজের সূত্রে সকাল সকাল বেরিয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু পরে ভাগ্নের কাছ থেকে খবর পেয়ে তড়িঘড়ি তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছোন। রক্তাক্ত অবস্থায় দ্রুত তাকে নিয়ে তিনি এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে সবকিছুই শেষ হয়ে যায়, কান্নায় ভেঙে পরে গোটা পরিবার। ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয়রাও, তাঁদের অভিযোগ “রক্ষণাবেক্ষণের গাফিলতির জন্যই ৭ বছরের মেয়েকে প্রাণ হারাতে হল।”

আরও পড়ুন: বাস্তবায়নের পথে শুভেন্দুর প্রতিশ্রুতি! সবুজ সংকেত মিলল নন্দীগ্রাম-হলদিয়া ব্রিজ তৈরিতে

পরিবারের একাংশের দাবি, বাতিস্তম্ভ থেকে আলো খুলে পড়ার পরে, ঘটনাস্থল থেকে একটিই ‘নাট’ পাওয়া গিয়েছে। এদিকে ওই আলোগুলি লাগানোর জন্য চারটি ‘নাট’ থাকে। কিন্তু এখানে বাকি তিনটি ‘নাট’ লাগানো ছিল না বলে অভিযোগ উঠছে। এছাড়াও এতদিন বাতিস্তম্ভের আদৌ রক্ষণাবেক্ষণ হত কি না, প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রাও। এলাকায় শোরগোল শুরু হতেই ঘটনায় পৌঁছেছে স্থানীয় থানার পুলিশ। ঘটনাস্থল গার্ডরেল দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আরও Hastings Kolkata