চালু হচ্ছে শিলিগুড়ি বর্ধমান ফ্লাইওভার? মুখ্যমন্ত্রীর উত্তরবঙ্গ সফরেই মিলতে পারে সুখবর

Published:

Siliguri Bardhaman Flyover

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্যের মসনদে এবার বিজেপি, ক্ষমতার পালাবদল হতেই শুরু হয়ে গিয়েছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী খুলছে একের পর এক দুর্নীতির ফাইল। আর এবার পালা রং বদলের। জানা গিয়েছে, বহু অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে চালু হতে চলেছে শিলিগুড়ি বর্ধমান ফ্লাইওভার (Siliguri Bardhaman Flyover)। আর তাই শেষমুহূর্তে চলছে ফ্লাইওভারের (Flyover) ওপর নতুন রঙের প্রলেপ।

ট্রায়াল রান সম্পন্ন হয়েছে নবনির্মিত ফ্লাইওভারে

পূর্ববর্তী সরকার তৃণমূলের আমলেই নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল শিলিগুড়ির বর্ধমান ফ্লাইওভারের। কিন্তু দ্রুততার সঙ্গে কাজ না এগোনোয় চালু হয়নি এই ফ্লাইওভার। অবশেষে এবার দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার সমাধানে চালু হতে চলেছে এই ফ্লাইওভার। জানা গিয়েছে, দ্বিতীয়বার বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর শংকর ঘোষ দ্রুত ফ্লাইওভার চালুর বিষয়ে পুলিশ কমিশনারের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন। আর সেই আবেদনের ভিত্তিতে প্রশাসনিক স্তরে বিষয়টি গুরুত্ব পায় এবং ট্রায়াল রান সম্পন্ন করা হয়। ছোট গাড়ি থেকে বড় যানবাহন পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের গাড়ি চালিয়ে ট্রায়াল রান করা হয়।

বদলে গেল ফ্লাইওভারের রং

সূত্রের খবর, পুলিশ কমিশনার সৈয়দ ওয়াকার রাজার নির্দেশে এদিন ফ্লাইওভার পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন ডিসিপি ট্রাফিক কাজী শামসুদ্দিন আহমেদ, এডিসিপি ট্রাফিক পূর্ণিমা শেরপা, ট্রাফিক বিভাগের আধিকারিক এবং গণপূর্ত দফতরের ইঞ্জিনিয়াররা। পরিদর্শনের সময় কোথায় ট্রাফিক সিগন্যাল বসানো হবে, কোথায় বিশেষ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রয়োজন এবং বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করা যেতে পারে কি না, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এদিকে রাতারাতি বদলে যাচ্ছে ফ্লাইওভারের রং। নীল-সাদা রঙের পরিবর্তে আপাতত পুরোটাই সাদা করে দেওয়া হচ্ছে। শোনা যাচ্ছে পরে নতুন রং ছাপানো হবে।

আরও পড়ুন: দেড় টন এসি রোজ ৮ ঘণ্টা চালালে বিদ্যুতের বিল কত আসবে? দেখুন হিসাব

উল্লেখ্য, আজ উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, হয়তো তাঁর হাত ধরে এই বহু প্রতীক্ষিত ফ্লাইওভারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হতে পারে। যদিও এখনও সরকারি ভাবে কোনও ঘোষণা করা হয়নি। ডিসিপি ট্রাফিক কাজী শামসুদ্দিন আহমেদ জানান, ফ্লাইওভারটি বিস্তারিতভাবে পরিদর্শন করা হয়েছে এবং একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করে সংশ্লিষ্ট দফতরে পাঠানো হয়েছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্রুত ফ্লাইওভারটি সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হবে।