সহেলি মিত্র, কলকাতা: আপনিও কি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের যুবসাথীর (Banglar Yuva Sathi) জন্য আবেদন করেছিলেন? প্রথম দফায় টাকাও পেয়েছেন? তাহলে আপনার জন্য রইল জরুরি খবর। এবার বাংলার নতুন সরকার বড় সিদ্ধান্ত নিল। তথ্য যাচাই করার পর যদি কোনো গরমিল মনে হয় তাহলে আর টাকা নাও পেতে পারেন আপনি। সেক্ষেত্রে সরকারের তরফে এবার এক ধাক্কায় ৫৫ লক্ষ যুবসাথীতে আবেদনকারীর তথ্য যাচাই করবে তারপরেই পরবর্তী টাকা রিলিজ করা হবে বলে খবর।
রাজ্যের নজরে ৫৫ লক্ষ যুবসাথী আবেদনকারী
চলতি বছরের রাজ্য বাজেটে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই যুবসাথী প্রকল্পের ঘোষণা করেন। এই প্রকল্পের আওতায় প্রথম ধাপে প্রায় এক লক্ষ, তারপর ধাপে ধাপে প্রায় ৫৫ লক্ষ মানুষের অ্যাকাউন্টে ১৫০০ টাকা পাঠানো হয়। তবে সরকার এখানে ডাল মে কুছ কালা হ্যায় বুঝতে পারছে বলে মনে হয়। এর কারণ পরবর্তীতে প্রশাসনিক মহলের কাছে বেশ কিছু ক্ষেত্রে অসংগতি দেখা দেয়।
আরও পড়ুনঃ মনমর্জি মতো কলেজে ঢোকা, বেরোনো আর নয়! বায়োমেট্রিক চালু করছে রাজ্য সরকার
কম সময়ে টাকা ছাড়তে গিয়ে উপভোক্তা তথ্যের যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে প্রশাসনের অন্দরেই। ফলে পুনরায় সেই ৫৫ লক্ষ আবেদনকারীর তথ্য নতুন করে যাচাই করা হবে। আর তথ্যের যদি কোনো গরমিল চোখে পড়ে তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী ৩০০০ টাকা বেকার ভাতা আপনার হাত থেকে পিছলে যাবে। আখেরে ক্ষতি হবে আপনারই। ১ জুন থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা দেওয়া হলেও আপাতত যুবসাথী প্রকল্পের টাকা দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ থাকবে যতক্ষন না তথ্য যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে।
প্রকল্পের উদ্দেশ্য কী?
বর্তমান সময়ে চাকরি খোঁজা বা ছোট ব্যবসা শুরু করার সময় তরুণদের নানা ধরনের খরচের সম্মুখীন হতে হয়। তাই, তরুণদের প্রাথমিক আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য এই প্রকল্পটি তৈরি করা হয়েছিল। যোগ্য তরুণদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সরাসরি স্থানান্তর করা হয়েছে এক ধাপে। এই প্রকল্পের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত বেঁধে দিয়েছে সরকার। যেমন আবেদনকারীকে অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে, বয়স ২১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে হতে হবে, আবেদনকারীকে অবশ্যই কমপক্ষে দশম শ্রেণি পাশ হতে হবে। আগামী দিনে তথ্য যাচাই করে সরকার সব যদি ঠিকঠাক পায় তবেই টাকা রিলিজ করা হবে বলে খবর।










