প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: কয়েক মাসের মধ্যেই বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে। তাই এখন থেকেই ভোট প্রচারের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। সরকারের গঠনের লড়াই প্রচারে যাতে কোনো ত্রুটি না থাকে, তার জন্য একাধিক কর্মসূচি হয়ে চলেছে। আর এই অবস্থায় ফের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করল কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder)।
নারায়ণগড়ের বিধায়ক সূর্যকান্তকে নিয়ে শোরগোল!
আজ অর্থাৎ শনিবার, সকালে ‘উন্নয়নের পাঁচালি’ কর্মসূচি নিয়ে নারায়ণগড় ব্লকের ৬ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কসবা কমিউনিটি হলে হাজির হয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্ট। গত ১৫ বছরে তৃণমূল সরকার কী কী উন্নয়ন করেছে সেটাই জানাচ্ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ তাঁকে ঘিরে একদল যুবক ‘চোর-চোর’ স্লোগান দেন। বিক্ষোভকারীদের ওই ভিড়ে দেখা যায় তৃণমূলের পতাকাও। দলীয় কর্মীরাই নাকি স্থানীয় বিধায়ককে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। রীতিমত চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের এই কাণ্ড নিয়ে তাই কটাক্ষের হাসি হাসলেন বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। নিজের এক্স হ্যান্ডেল থেকে প্রকাশ্যে তুলে ধরলেন ভিডিও।
কী বলছেন সুকান্ত মজুমদার?
সুকান্ত মজুমদার তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন যে, “রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের এখনও কয়েক মাস বাকি। তার আগেই যেভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ কর্মী-সমর্থকরাই নিজেদের দলের বিধায়ক ও জনপ্রতিনিধিদের প্রকাশ্যে চিহ্নিত করে দিচ্ছেন, তার জন্য তাঁদের সকলকে সাধুবাদ জানাই।” তিনি জানান, নারায়ণগড়ে তৃণমূলের দলীয় কর্মীরাই ‘চোর’ তাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন। স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক সূর্যকান্ত অট্টকে ঘিরে উঠেছে “চোর চোর” স্লোগান, যা স্পষ্ট করে দিচ্ছে, দুর্নীতির ভারে আজ শাসকদলের ভিতই ভেঙে পড়ছে।
রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের এখনও কয়েক মাস বাকি। তার আগেই যেভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ কর্মী-সমর্থকরাই নিজেদের দলের বিধায়ক ও জনপ্রতিনিধিদের প্রকাশ্যে চিহ্নিত করে দিচ্ছেন, তার জন্য তাঁদের সকলকে সাধুবাদ জানাই।
পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল থেকে মফস্বল ও শহর, সর্বত্র যেভাবে… pic.twitter.com/O8fm2Qj79Q
— Dr. Sukanta Majumdar (@DrSukantaBJP) January 24, 2026
আরও পড়ুন: SIR শুনানিতে দেবের পর এবার ডাক পড়ল মিমির, কবে যাবেন অভিনেত্রী?
সুকান্ত মজুমদার তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে জানিয়েছেন যে, “পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল থেকে মফস্বল ও শহর, সর্বত্র যেভাবে তৃণমূলের ছোট-বড় নেতারা লুটপাট ও দুর্নীতির নতুন নতুন নজির গড়ে চলেছেন, তাতে আজ তৃণমূলের সাধারণ সমর্থকরাও গভীর শঙ্কার পরিবেশে রয়েছেন! প্রতিদিনই যেন আগের দিনের চুরির ‘রেকর্ড’ ভেঙে নতুন রেকর্ড তৈরি হচ্ছে।” যদিও এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি তৃণমূলের তরফ।












