প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বর্তমানে প্রযুক্তিনির্ভর সমাজে প্রত্যেকের বাড়িতেই ফ্রিজ (Refrigerator) দেখা যায়। সে শীতকাল হোক বা গরম কাল ফ্রিজ ছাড়া একমুহূর্ত চলে না কারোর। কারণ ফ্রিজে খাবার (Foods) রাখলে অনেকদিন টিকে যায়। কিন্তু আপনি কি জানেন, এমন অনেক খাবার আছে, যা ফ্রিজে রাখা মানা। এমনকি দীর্ঘদিন সেই খাবার রেখে খেলে শরীরে বিষক্রিয়া হতে পারে। আমাদের আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে সম্পূর্ণটা জেনে নিন বিস্তারিত।
শীতকাল হোক বা গরম কাল, ফ্রিজ ছাড়া একমুহূর্ত চলে না কারোরই। কারণ, আমাদের অনেকেরই ধারনা সব জিনিসই ফ্রিজে রাখতে পারলে ভালো হয়। আর তাই অনেক সময়ই কোনও জিনিসের চরিত্র না বুঝেই সবকিছুই ফ্রিজে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই কাজ একদমই করা উচিত নয়। এমন অনেক খাবার আছে যেগুলো ফ্রিজে ২৪ ঘণ্টার বেশি রাখলেই বিষ হয়ে যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।
রসুন
খোসা ছাড়ানো রসুন কিংবা রসুন বেটে কখনওই ফ্রিজে রাখবেন না। কারণ এতে খুব তাড়াতাড়ি ছত্রাক বাসা বাঁধে। যা ক্যানসারের আশঙ্কাও তৈরি করে। তাই বাজার থেকে গোটা রসুন কিনে ফ্রিজে না রাখাই ভালো। আর রান্নার ঠিক আগেই রসুন ছাড়িয়ে তা ব্যবহার করা উচিত সবসময়।
পেঁয়াজ
আমরা অনেকেই কম বেশি অর্ধেক পেঁয়াজ ব্যবহার করে বাকি অর্ধেকটা ফ্রিজে রেখে দিই, কিন্তু সেই কাজ করাটা একদমই উচিত নয়। কারণ, পেঁয়াজ কেটে ফ্রিজে রাখলে খুব তাড়াতাড়ি পেঁয়াজের উপর ব্যাক্টেরিয়া ও ছত্রাক বাসা বাঁধে। তাই এই বিষয়ে সচেতন থাকা খুব জরুরি।
আলু
পেঁয়াজের মতোই অনেকেই আলুর খোসা ছাড়িয়ে অর্ধেক ব্যবহার করে ফ্রিজে রেখে দেয়, কিন্তু সেটা করা একদমই উচিত নয়। কারণ ফ্রিজের তাপমাত্রা আলুতে থাকা কার্বোহাইড্রেটকে নষ্ট করে দেয়। শুধু তাই নয় রান্না করার পর আলুর স্বাদ একদমই বদলে যায়। তাই ফ্রিজে কাটা আলু না রেখে সব সময় ঝুড়িতে করে খোলা জায়গায় রাখা উচিত।
ভাত
ব্যস্ততার কারণে অনেকেই পরের দিনের জন্য আগের দিন বেশি করে ভাত রান্না করে ফ্রিজে রেখে দেয়। অনেকের ধারণা এতে সময় যেমন বাঁচে এমনকি অনেকে এটাও মনে করেন যে ফ্রিজে রাখা ভাত খেলে নাকি কোলেস্টেরল ও শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। তবে এই ধারণা ঠিক নয়। ভাতে খুব তাড়াতাড়ি ছত্রাক বাসা বাঁধে যা খেলে শরীরে নানা রোগ দেখা দিতে পারে। তাই ২৪ ঘণ্টার বেশি ভাত কখনোই ফ্রিজে রাখা উচিত নয়।
আরও পড়ুন: বিড়াল আঁচড়ালেই সাবধান! সঙ্গে সঙ্গে মেনে চলুন এই জরুরি টিপস্
তরমুজ
গরমের দিনে তরমুজ খাওয়া যেন ম্যান্ডেটরি, তবে অনেকেই তরমুজ ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা খেতে চান তাই ফ্রিজে ঢুকিয়ে রেখে দেন। কিন্তু সেটি করা একদমই উচিত নয়। কারণ ফ্রিজের ঠান্ডায় তরমুজে চিল ইনজুরি হয়, যা তরমুজের চাঁদ একদমই নষ্ট করে দেয় এবং রঙও ফিকে করে দেয়। ব্যাকটেরিয়াও দেখা দেয়, যার ফলে পেটের সমস্যাও দেখা দেয়। তাই কখনোই এই ফল ফ্রিজে রাখা উচিত নয়।










