উদ্দেশ্য জ্বালানি, বিদ্যুৎ সাশ্রয়! ওয়ার্ক ফ্রম হোমের নির্দেশিকা জারি বিকাশ ভবনের

Published:

bikash bhawan

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ গোটা বিশ্বজুড়ে সংকটের সময়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিশেষ বার্তা দিয়েছিলেন। তিনি জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য নতুন করে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের (Work From Home) নির্দেশ দিয়েছিলেন। এবার প্রধানমন্ত্রীর সেই নির্দেশ মেনেই বড় সিদ্ধান্তের পথে হাঁটল বিকাশ ভবন (Bikash Bhawan)। কর্মীদের উদ্দেশ্যে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করেছে বিকাশ ভবন। সকলকে পরীক্ষামূলকভাবে বাড়ি থেকে কাজের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন।

ওয়ার্ক ফ্রম হোমের নির্দেশ বিকাশ ভবনের

বিকাশ ভবনের অয়ার্ক ফ্রম হোমের নির্দেশিকা যেন করোনা মহামারির কথা মনে করিয়ে দেয়। সেই সময়ে যেন ভারত সহ গোটা বিশ্ব থমকে গিয়েছিল। সংক্রমণ থেকে বাঁচতে এবং সকলের সুবিধার্থে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের নির্দেশিকা জারি করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিকে এখন মহামারি না থাকলেও বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট দেখা দিয়েছে। ক্রমেই ফুরিয়ে আসছে জ্বালানি। এহেন পরিস্থিতিতে ভারতে এই পরিস্থিতি রুখতে হায়দ্রাবাদের এক জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন বাড়ি থেকে কাজ করতে। এবার সেই নির্দেশ মেনেই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে বিকাশ ভবন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, স্কুল শিক্ষা কমিশনার-সহ স্কুল শিক্ষা দফতরের একাধিক উচ্চ পদস্থ আধিকারিক বাড়ি থেকে কাজ করবেন পর্যায়ক্রমিক ভাবে।

আরও পড়ুনঃ গরমে নাজেহাল দক্ষিণবঙ্গ, বৃষ্টিতেও মিলছে না স্বস্তি! কেমন থাকবে আগামীকালের আবহাওয়া?

কেন এরকম সিদ্ধান্ত? সূত্রের খবর, গাড়ির ব্যবহার কমানো। জ্বালানি সাশ্রয় করার লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কবে কোন আধিকারিক কার্যালয়ে আসবেন এবং কখন কোন গাড়ি বেরোবে তার সুনির্দিষ্ট তালিকাও তৈরি করা হয়েছে বলে খবর। এরই পাশাপাশি আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেন অকারণে ভ্রমণ না করেন। অর্থাৎ এখন সব কাজ হবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। প্রয়োজনীয় যে কোনও বৈঠক হবে ভিডিয়ো কনফারেন্সিং পদ্ধতিতে।

বিদ্যুৎ নিয়ন্ত্রণের ওপরেও জারি নির্দেশিকা

বিকাশ ভবনে বিদ্যুৎ ব্যবহারের উপরও নিয়ন্ত্রণ জারি করার পরার্শ দেওয়া হয়েছে। সে ক্ষেত্রে লিফট-এর ব্যবহারে রাশ টানা হতে পারে। সন্ধ্যা ৭টার পর অতিরিক্ত আলো জ্বালিয়ে না রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই প্রসঙ্গে বিকাশ ভবনের এক কর্তা জানান, এখনই সর্বস্তরের কর্মীদের জন্য বাড়ি থেকে কাজের নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে না। কারণ, সাধারণের কাজকর্ম যাতে ব্যাহত না হয়, সে দিকে নজর রাখতে হবে।