সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: গোটা বিশ্বজুড়ে চলা জ্বালানির সংকট (Fuel Crisis) এড়াতে এবার বিরাট পদক্ষেপ নিল সরকার। সোমবার অর্থাৎ ১৩ মে সাধারণ প্রশাসন বিভাগের পক্ষ থেকে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। আর সেখানে জানানো হয়েছে যে, এখন থেকে রাজ্যের গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি সরকারী কর্মচারীদের অর্ধেক বাড়িতে থেকেই কাজ করবেন। প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) আহ্বানে সাড়া দিয়েই মূলত এরকম সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের।
বড়সড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের
উল্লেখ্য, ত্রিপুরা রাজ্যের (Government of Tripura) সরকারি মেমোরেন্ডাম অনুযায়ী, প্রতিটি দপ্তরের প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, একটি সাপ্তাহিক ডিউটি রোস্টার তৈরি করতে হবে। সেক্ষেত্রে প্রতিদিন দপ্তরে মাত্র ৫০ শতাংশ কর্মী উপস্থিত থাকবে। আর বাকিরা বাড়িতে থেকেই কাজ করবেন। কর্মীরা এক সপ্তাহ অন্তর অন্তর অফিসে আসবেন। কিন্তু প্রথম সপ্তাহে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে মূলত তাদেরকেই, যাদের বাসস্থান অফিসের কাছাকাছি। আর যারা বাড়ি থেকে কাজ করেন, তাদের টেলিফোন ও ইলেকট্রনিক্স মাধ্যমে সবসময় দপ্তরের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে। প্রয়োজনে জরুরী কাজে অফিসে হাজিরা দিতে হবে।
আসলে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে দেশবাসীকে পেট্রোল ও ডিজেল ব্যবহার কমানোর জন্য অনুরোধ করেছেন। তিনি পরামর্শ দিয়েছিলেন যে, ব্যক্তিগত গাড়ির বদলে গণপরিবহন বা ইলেকট্রিক গাড়ি ব্যবহার করতে। পাশাপাশি অফিসে সশরীরে উপস্থিতির বদলে ভার্চুয়াল মিটিং বা অনলাইন মাধ্যমে ওয়ার্ক ফ্রম হোমকে প্রাধান্য দিতে। আর গাড়িতে যাতায়াতের ক্ষেত্রে কারপুলিং ব্যবস্থা গ্রহণ করতেও বলা হয়েছিল। সেই কথা মাথায় রেখেই ত্রিপুরা সরকারের বড় সিদ্ধান্ত।
𝐓𝐫𝐢𝐩𝐮𝐫𝐚 𝐆𝐨𝐯𝐭 𝐈𝐧𝐭𝐫𝐨𝐝𝐮𝐜𝐞𝐬 𝟓𝟎% 𝐎𝐟𝐟𝐢𝐜𝐞 𝐀𝐭𝐭𝐞𝐧𝐝𝐚𝐧𝐜𝐞 𝐑𝐮𝐥𝐞 𝐟𝐨𝐫 𝐆𝐫𝐨𝐮𝐩 𝐂 𝐚𝐧𝐝 𝐃 𝐒𝐭𝐚𝐟𝐟#Tripura: The state government has introduced austerity measures aimed at reducing expenditure and conserving fuel following the Prime… pic.twitter.com/sZYmrybZpA
— All India Radio News (@airnewsalerts) May 14, 2026
আরও পড়ুন: ‘তৃণমূলের কৃতকর্মের ফল’, হাইকোর্টে মমতাকে ‘চোর’ বলায় দাবি শমীকের
এমনকি এই নির্দেশিকা ইতিমধ্যেই কার্যকর করা হয়েছে। কিন্তু জরুরী পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত দপ্তর ও কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থানীয় প্রশাসন সংস্থাগুলোকে একই ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে, এতে কিছুটা হলেও জ্বালানি সাশ্রয় হবে।










