প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: দৈনন্দিন জীবনে একাধিক কাজে ব্যস্ততা থাকার কারণে অনেকেই নিজেদের স্বাস্থ্যের (Health Tips) যত্ন নিতে ভুলে যাচ্ছে। এমনকি দিনে দিনে জাঙ্ক ফুডের প্রতি আসক্তি বেড়েই চলেছে। ফলস্বরূপ হার্ট, লিভার এবং কিডনির বারোটা বাজছে। এতে বাড়ি, পথেঘাটে আচমকা যে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন। সেই সময় অনেকেই বুঝে উঠতে পারেন না, কী করণীয়? তাড়াহুড়োতে রোগীকে সঠিক এবং জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা (Medical Emergency) দিতেই দেরি হয়ে যায়। আর তাতেই বিপদ ঘটে যায়।
পরিস্থিতিতে নজর
অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় আচমকা কারও বুকে ব্যথা শুরু হয়ে যায়, মাঝরাতে ইনহেলার শেষ হয়ে গেলে অনেকের শ্বাসকষ্ট বাড়াবাড়ি হয়, হার্ট অ্যাটাক হতে পারে রাস্তাঘাটে, কেউ প্রচণ্ড ব্যথা পেতে পারেন, হাড় ভেঙে যেতে পারে। যে কোনও পরিস্থিতিতেই জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। তাই সেই কথা মাথায় রেখে আমাদের আজকের প্রতিবেদন নিয়ে এসেছে বেশ কিছু জরুরি টিপস যা আপৎকালীন সময়ে মহৌষধের কাজ করে।
জরুরী অবস্থায় কিছু টিপস
১. আপাৎকালীন চিকিৎসা পরিষেবার জন্য সবসময় হেল্প লাইন নম্বর, হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ফোন নম্বর, অ্যাম্বুল্যান্সের নম্বর, পুলিশের নম্বর সঙ্গে রাখা ভাল। রাস্তাঘাটে কারও বিপদ-আপদ হলে দ্রুত হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে সাহায্য চাওয়া যেতে পারে।
২. রাস্তাঘাটে আচমকা কারও হাঁপানি শুরু হলে প্রথমেই সেই জায়গাটা ফাঁকা করে দিতে হবে। এরপর সেই ব্যক্তির কাছে ইনহেলার আছে কি না জেনে তাঁর মুখে দিতে হবে স্প্রে। কিন্তু যদি ইনহেলার না থাকে তাহলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তিকে উল্টো করে পেটের তলায় কিছু উঁচু বস্তু দিয়ে দিন, এতে অল্প সময়ে খানিক স্বস্তি আসবে।
৩. কারোর যদি আচমকা কোথাও কেটে যায় এবং অনেক রক্তপাত হতে থাকে তাহলে না ঘাবড়িয়ে সঙ্গে সঙ্গে একটি পরিষ্কার কাপড় বা ব্যান্ডেজ ব্যবহার করে শক্তভাবে সরাসরি চাপ দিন। এবং কাপড়টি যদি ভিজে যায় তাহলে এর উপরে আরও কাপড় দিন। ডাক্তার না আসা পর্যন্ত কাপড় দিয়ে চাপ চেপে রাখতে হবে।
আরও পড়ুন: ইনডোর প্ল্যান্টেই হবে অশুভ শক্তির বিনাশ! সৌভাগ্য ফেরাতে আজই আনুন এই ৪ গাছ
৪. অফিসে বা বাড়িতে বা রাস্তায় পড়ে গিয়ে কেউ যদি গভীর চোট পায়, এবং ব্যথা স্থান দ্রুত ফুলে যায় তাহলে সেখানে সঙ্গে সঙ্গে বরফ বা ঠান্ডা জল দিতে হবে। তারপরে ব্যথা কমানোর স্প্রে ব্যবহার করতে হবে।
৫. রাস্তাঘাটে বা বাড়িতে আচমকা কারোর বুকে ব্যথা শুরু হলে, সঙ্গে সঙ্গে তার জামার বোতাম খুলে দিয়ে হাওয়া করা প্রয়োজন। যদি মনে হয় ওই ব্যক্তির হার্ট অ্যাটাক হয়েছে তখন সঙ্গে সঙ্গে তার বুকের উপর সমানে জোরে জোরে চাপ দিতে থাকুন। এইভাবে চিকিৎসক আসার আগে পর্যন্ত তাঁকে যথাসম্ভব আরাম দিতে হবে। এই বুকে চাপ দেওয়ার প্রসেসকে ডাক্তারি ভাষায় CPR বলে।










