শুধু এদের অন্নপূর্ণা ভান্ডার প্রকল্পের সুবিধা দেবে সরকার, জানালেন রাজ্যের মন্ত্রী

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়ে গিয়েছে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের (Annapurna Bhandar) প্রাথমিক প্রক্রিয়া। বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নবান্ন থেকেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিয়েছিলেন, শুধুমাত্র যোগ্য প্রাপকরাই রাজ্য সরকারের এই নয়া প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। আসলে সম্প্রতি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার চালু করার আগে পূর্বতন সরকারের লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পের প্রাপকদের তালিকা যাচাই করতে গিয়ে ধরা পড়েছে একগুচ্ছ ভুয়ো সুবিধাভোগীর নাম। মূলত সে কারণে, উপভোক্তাদের যাচাই করে তবেই অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টাকা ছাড়তে চাইছে রাজ্য। এ নিয়ে এবার মুখ খুললেন রাজ্যের গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

যাকে তাকে দেওয়া হবে না অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার

রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আবেদনকারীদের 12 থেকে 13 পাতার ফর্ম পূরণ করতে হবে। যেখানে মোট সাত ধরনের তথ্য দিতে হবে তাঁদের। সেই তালিকায় রয়েছে পরিবারের ব্যক্তিগত তথ্য থেকে শুরু করে আবেদনকারীর উপার্জন সংক্রান্ত তথ্য এমনকি সম্পদের তথ্যও। একসাথে একটা ফর্মে এত ধরনের তথ্য জানাতে হবে জেনে যথেষ্ট চিন্তিত সাধারণ মানুষ। এরই মাঝে বিরোধীদের একটা বড় অংশ রাজ্য সরকারের এমন পদক্ষেপের বিরোধিতা করে জানাচ্ছেন, “একটা প্রকল্পের জন্য এত ধরনের নিয়ম-কানুন, মানাটা সত্যিই সকলের পক্ষে সম্ভব কি!”

শুধু এদের অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা দেবে সরকার

বিরোধী শিবিরের দাবি, এত পৃষ্ঠার আবেদনপত্র পূরণ করে সেটা জমা দিতে যেমন সময় লাগবে তেমনই এই ফর্ম পূরণ করতে গেলে প্রচুর সমস্যার মধ্যে পড়তে হবে সাধারণ মানুষকে। আদতে এই প্রক্রিয়া যথেষ্ট জটিল। এবার সে প্রসঙ্গেই মুখ খুলেছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে মুখ খুলে দিলীপ জানান, ‘সরকার যোগ্য ব্যক্তিদের বেছে বেছে এই প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসবে।’

অবশ্যই পড়ুন: যেমন সুন্দর, তেমনই ভয়ানক! যাবেন নাকি কলকাতার অদূরের ‘মিনি মঙ্গলগ্রহে?’

তাঁর কথায়, “সবটাই সরলীকরণ হবে। যাকে খুশি দিয়ে দিল, আর বাংলাদেশীরা নিয়ে চলে গেল এমনটা হবে না। অন্তত আমাদের সরকারের আমলে তো না।!” এক কথায় বলাই যায়, পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারতের নাগরিক হওয়ার সাথে সাথে সরকারি সমস্ত শর্ত মেনে চলবেন এমন যোগ্য ব্যক্তিরাই অন্নপূর্ণা ভান্ডারের আওতায় প্রতিমাসে 3 হাজার টাকা করে পাবেন। আর সেই প্রক্রিয়ায় যাতে কোনও রকম গাফিলতি না থাকে সেটা একেবারে কড়া হাতে দেখছে রাজ্য।