প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সাতসকালে প্রকাশ্যে এক শিক্ষিকার উপর হামলার অভিযোগ উঠল শিলিগুড়িতে (Siliguri)। জানা গিয়েছে আজ, সকালে প্রকাশ্যে রাম নামের এক যুবক শান্তিনগরে এক শিক্ষিকার উপর ছুরি দিয়ে আঘাত করে এবং খুন করার চেষ্টাও (Siliguri Teacher Attack) করা হয় তাঁকে। তড়িঘড়ি সেই মহিলাকে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় কাছাকাছি হাসপাতালে ভর্তি করায়। প্রকাশ্য রাস্তায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কিন্তু কী কারণে ওই শিক্ষিকার উপর হামলা চালানো হল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
ঠিক কী ঘটেছিল?
প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী আজ অর্থাৎ বুধবার শিলিগুড়ির মধ্য শান্তিনগর এলাকায় বিধায়কের বাড়ির কাছে সকাল সাড়ে ছয়টা নাগাদ আচমকাই স্থানীয়রা দেখেন মাঠের মধ্যে একজন শিক্ষিকাকে ছুরি দিয়ে একজন যুবক কোপানোর চেষ্টা করছে। আক্রান্ত মহিলার নাম শিউলি দত্ত। প্রতিদিনের মতো এদিন সকালেও তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন এলাকার একটি নির্দিষ্ট স্থানে ফুল তোলার উদ্দেশ্যে। কিন্তু আচমকাই হামলাকারীর এলোপাথাড়ি অস্ত্রের কোপে জখম হন ওই শিক্ষিকা। এমনকি পরে বিষ খেয়ে সেও আত্মহত্যার চেষ্টা করে।
আরও পড়ুন: দিঘা ঢোকার মুখে বিকল তাম্রলিপ্ত এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন!
হাসপাতালে ভর্তি দুজনে
স্থানীয়দের তরফে জানা গিয়েছে, হামলাকারীর নাম সজল দাস ওরফে রাম, শিক্ষিকাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার পরই সে নিজেও বিষ খেয়ে আত্মহত্যার করার চেষ্টা করে। সাতসকালে এমন ঘটনার দৃশ্য দেখে চরম আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় পুলিশে। অন্যদিকে হামলার ঘটনা শুনে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় আশিঘর ফাঁড়ির পুলিশ এবং দুজনকেই শিলিগুড়ির জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। বর্তমানে দুজনেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে এখনো চিকিৎসকদের তরফে কিছু জানানো হয়নি।
আরও পড়ুন: শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে মাথা মুড়িয়ে আমরণ অনশনে কেরলের যোগ্য প্রার্থী
তদন্তে নামল পুলিশ
পুলিশের তরফে গোটা ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। সাতসকালে আচমকা ঠিক কী কারণে এই ধরনের প্রাণঘাতী হামলা চালানো হলো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে শিক্ষিকার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা এই হামলার পিছনে হয়তো কোনো ব্যক্তিগত রেষারেষি রয়েছে। তবে পুলিশ মনে করছে এর পেছনে অন্য কোনো গভীর রহস্য লুকিয়ে রয়েছে। তবে সবটাই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এদিকে এই ধরনের হামলার ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।










