সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ককরোচদের আন্দোলন আপাতত স্থগিত রাখার ঘোষণা করেছেন দলের নেতা অভিজিৎ দীপকে (Abhijeet Dipke)। তবে সম্প্রতি রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন সৃষ্টি করে অভিজিৎকে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রিপাবলিকান পার্টি অফ ইন্ডিয়ার সভাপতি রামদাস আঠাওয়ালে। দল এবং জোটকে শক্তিশালী করার জন্য দীপকেকে পাশে থাকার বার্তা দিয়ে সরাসরি স্বাগত জানিয়েছেন তিনি। তাহলে কি এবার এনডিএতে যোগদান করছেন সিজেপি প্রধান?
অভিজিতের এনডিএতে যোগদান?
নাগপুরে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় সামাজিক, ন্যায়বিচার ও ক্ষমতায়ন প্রতিমন্ত্রী রামদাস আঠাওয়ালে জানিয়েছেন, বাবা সাহেব ডঃ বি আর আম্বেদকরের আদর্শ এবং রাজনৈতিক লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে যুব সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন। অভিজিৎকে নিয়ে তিনি বলেন, “দীপকে একজন আম্বেদকরপন্থী। বাবা সাহেবের রাজনৈতিক দলকে শক্তিশালী করতে আমাদের নতুন প্রজন্মের উদ্যোগ দরকার। তিনি যদি আমাদের সঙ্গে যোগ দেন তাহলে খুবই ইতিবাচক হবে। তিনি এলে ব্যক্তিগতভাবে আমি তাঁকে স্বাগত জানাব।”
আরও পড়ুন: সাতসকালে শিলিগুড়িতে শিক্ষিকাকে কুপিয়ে খুনের চেষ্টা
প্রসঙ্গত, আঠাওয়ালে এর আগেও গত আগস্ট মাসে প্রথমবার দীপকেকে তাঁর দল এনডিএ সমর্থিত আরপিআইতে যোগদানের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি বলেছিলেন যে বাবা সাহেব আম্বেদকরের স্বপ্ন পূরণ করতে দীপকের উচিত এই দলে যোগদান করা। কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন যে তাঁর এই প্রস্তাবে এখনও পর্যন্ত সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা সম্মতি জানাননি।
এদিকে এনডিএতে যোগ দেওয়ার এই প্রস্তাব নিয়ে ইতিমধ্যেই স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছেন অভিজিৎ দীপকে। এর আগে তিনি কটাক্ষ করে বলেছিলেন, অতীতে বিজেপি এবং শাসক শিবিরের একাংশ তাঁকে অ্যান্টি ন্যাশনাল তকমা দিলেও এখন আবার জোটে টানতে চেষ্টা চালাচ্ছে। এমনকি তিনি সাফ জানিয়েছেন, এখনই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কোনও পরিকল্পনা তাঁর দলের নেই। আপাতত একটি কার্যকরী প্রেসার গ্রুপ হিসেবেই তাঁরা কাজ চালিয়ে যাবেন।
আরও পড়ুন: মধ্যবিত্তদের স্বস্তি দিয়ে ফের দাম কমল সোনা, রুপোর!
প্রসঙ্গত, যন্তরমন্তরে অনুমতি ছাড়া প্রবেশের অভিযোগে সিজেপির নেতা আশুতোষ রঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ। এমনকি তাঁদের সাত দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। তবে তাঁদের মুক্তির পর দলের নেতা অভিজিৎ দীপকে আপাতত নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন স্থগিত রাখার ঘোষণা করেন। পাশাপাশি কমিশনের তরফ থেকেও রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে।










