শিব তাণ্ডব স্তোত্রম (Shiva Tandava Stotram in Bengali) হলো দেবাধিদেব মহাদেব পরমেশ্বর শিবের ডমরুধ্বনি, জটাজাল, গঙ্গা প্রবাহ ও মহাজাগতিক অজেয় তাণ্ডব নৃত্যের বন্দনায় লঙ্কারাজ রাবণ রচিত পরম প্রভাবাশালী ১৫টি শ্লোকের এক মহান সংস্কৃত স্তোত্র। প্রতিদিন এই স্তোত্র পাঠ করলে ভক্তের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়, শত্রুভয় ও নেতিবাচক শক্তি দূর হয় এবং শিবের অপার করুণা লাভ হয়।
লঙ্কারাজ রাবণ রচিত পরম পবিত্র ১৫টি শ্লোকের সম্পূর্ণ শিব তাণ্ডব স্তোত্রম নিচে দেওয়া হলো:
| জটাটবীগলজ্জলপ্রবাহপাবিতস্থলে গলেবলম্ব্য লম্বিতাং ভুজঙ্গতুঙ্গমালিকাম্ । ডমড্ডমড্ডমড্ডমন্নিনাদবড্ডমর্বয়ং চকার চণ্ডতাণ্ডবং তনোতু নঃ শিবঃ শিবম্ ॥ ১ ॥ |
| জটাকটাহসংভ্রমভ্রমন্নিলিম্পনির্ঝরী- -বিলোলবীচিবল্লরীবিরাজমানমূর্ধনি । ধগদ্ধগদ্ধগজ্জ্বলল্ললাটপট্টপাবকে কিশোরচন্দ্রশেখরে রতিঃ প্রতিক্ষণং মম ॥ ২ ॥ |
| ধরাধরেন্দ্রনন্দিনীবিলাসবন্ধুবন্ধুর স্ফুরদ্দিগন্তসন্ততিপ্রমোদমানমানসে । কৃপাকটাক্ষধোরণীনিরুদ্ধদুর্ধরাপদি ক্বচিদ্দিগম্বরে মনো বিনোদমেতু বস্তুনি ॥ ৩ ॥ |
| জটাভুজঙ্গপিঙ্গলস্ফুরৎফণামণিপ্রভা কদম্বকুঙ্কুমদ্রবপ্রলিপ্তদিগ্বধূমুখে । মদান্ধসিন্ধুরস্ফুরত্ত্বগুত্তরীযমেদুরে মনো বিনোদমদ্ভুতং বিভর্তু ভূতভর্তরি ॥ ৪ ॥ |
| সহস্রলোচনপ্রভৃত্যশেষলেখশেখর প্রসূনধূলিধোরণী বিধূসরাঙ্ঘ্রিপীঠভূঃ । ভুজঙ্গরাজমালয়া নিবদ্ধজাটজূটকঃ শ্রিয়ৈ চিরায় জায়তাং চকোরবন্ধুশেখরঃ ॥ ৫ ॥ |
| ললাটচত্বরজ্বলদ্ধনঞ্জয়স্ফুলিঙ্গভা- -নিপীতপঞ্চসায়কং নমন্নিলিম্পনায়কম্ । সুধাময়ূখলেখয়া বিরাজমানশেখরং মহাকপালিসম্পদেশিরোজটালমস্তু নঃ ॥ ৬ ॥ |
| করালফালপট্টিকাধগদ্ধগদ্ধগজ্জ্বল- দ্ধনঞ্জয়াধরীকৃতপ্রচণ্ডপঞ্চসায়কে । ধরাধরেন্দ্রনন্দিনীকুচাগ্রচিত্রপত্রক- -প্রকল্পনৈকশিল্পিনি ত্রিলোচনে মতির্মম ॥ ৭ ॥ |
| নবীনমেঘমণ্ডলী নিরুদ্ধদুর্ধরস্ফুরৎ- কুহূনিশীথিনীতমঃ প্রবন্ধবন্ধুকন্ধরঃ । নিলিম্পনির্ঝরীধরস্তনোতু কৃত্তিসিন্ধুরঃ কলানিধানবন্ধুুরঃ শ্রিয়ং জগদ্ধুরন্ধরঃ ॥ ৮ ॥ |
| প্রফুল্লনীলপঙ্কজপ্রপঞ্চকালিমপ্রভা- -বিলম্বিকণ্ঠকন্দলীরুচিপ্রবদ্ধকন্ধরম্ । স্মরচ্ছিদং পুরচ্ছিদং ভবচ্ছিদং মখচ্ছিদং গজচ্ছিদান্ধকচ্ছিদং তমন্তকচ্ছিদং ভজে ॥ ৯ ॥ |
| অগর্বসর্বমঙ্গলাকলাকদম্বমঞ্জরী রসপ্রবাহমাধুরী বিজৃম্ভণামধুব্রতম্ । স্মरांतকং পুরান্তকং ভবান্তকং মখান্তকং গজান্তকান্ধকান্তকং ত মন্তকান্তকং ভজে ॥ ১০ ॥ |
| জয়ত্বদভ্রবিভ্রমভ্রমদ্ভুজঙ্গমশ্বস- -দ্বিনির্গমৎক্রমস্ফুরৎকরালফালহব্যবাট্ । ধিমিদ্ধিমিদ্ধিমিধ্বনন্মৃদঙ্গতুঙ্গমঙ্গল ধ্বনিক্রমপ্রবর্তিত প্রচণ্ডতাণ্ডবঃ শিবঃ ॥ ১১ ॥ |
| দৃষদ্বিচিত্রতল্পয়োর্ভুজঙ্গমৌক্তিকস্রজোর্- -গরিষ্ঠরত্নলোষ্ঠয়োঃ সুহৃদ্বিপক্ষপক্ষয়োঃ । তৃणारবিন্দচক্ষুষোঃ প্রজামহীমহেন্দ্রয়োঃ সমং প্রবর্তয়ন্মনঃ কদা সদাশিবং ভজে ॥ ১২ ॥ |
| কদা নিলিম্পনির্ঝরীনিকুঞ্জকোটরে বসন্ বিমুক্তদুর্মতিঃ সদা শিরঃস্থমঞ্জলিং বহন্ । বিমুক্তলোললোচনো ললাটফাললগ্নকঃ শিবেতি মন্ত্ৰমুচ্চরন্ সদা সুখী ভবাম্যহম্ ॥ ১৩ ॥ |
| ইমং হি নিত্যমেবমুক্তমুত্তমোত্তমং স্তবং পঠন্স্মরন্ব্রুবন্নরো বিশুদ্ধিমেতিসন্ততম্ । হরে গুরৌ সুভক্তিমাশু যাতি নান্যথা গতিং বিমোহনং হি দেহিনাং সুশঙ্করস্য চিন্ত নম্ ॥ ১৪ ॥ |
| পূজাবসানসময়ে দশবক্ত্রগীতং যঃ শম্ভুপূজনপরং পঠতি প্রদোষে । তস্য স্থিরাং রথগজেন্দ্রতুরঙ্গযুক্তাং লক্ষ্মীং সদৈব সুমুখীং প্রদদাতি শম্ভুঃ ॥ ১৫ ॥ |
॥ ইতি শ্রী রাবণকৃত শিব তাণ্ডব স্তোত্রম সমাপ্তম্ ॥ হর হর মহাদেব 🙏
শিব তাণ্ডব স্তোত্রের ১৫টি শ্লোকের বিস্তারিত বাংলা অনুবাদ নিচে দেওয়া হলো:
| জটাটবীগলজ্জলপ্রবাহপাবিতস্থলে... ॥ ১ ॥ | যাঁরা জটাজালরূপ ঘন অরণ্য থেকে নির্গত গঙ্গার পবিত্র জলধারা কণ্ঠদেশকে ধৌত করছে এবং যাঁর গলায় বিশাল সর্পের মালা দুলছে, সেই ডমরুর 'ডম ডম' শব্দে প্রচণ্ড তাণ্ডব নৃত্যকারী ভগবান শিব আমাদের মঙ্গল বিধান করুন। |
| জটাকটাহসংভ্রমভ্রমন্নিলিম্পনির্ঝরী... ॥ ২ ॥ | যাঁরা গভীর জটাজালের ঘূর্ণাবর্তে চঞ্চল গঙ্গার ঢেউমালা শোভা পাচ্ছে, যাঁর কপালে ধক-ধক করে আগুন জ্বলছে এবং যাঁর মস্তকে বালচন্দ্র (কিশোর চন্দ্র) বিরাজমান, সেই মহাদেবে যেন আমার মন প্রতিক্ষণ অনুরক্ত থাকে। |
| ধরাধরেন্দ্রনন্দিনীবিলাসবন্ধুবন্ধুর... ॥ ৩ ॥ | যাঁরা পর্বতরাজকন্যা পার্বতীর বিলাস-সঙ্গী এবং যাঁর কৃপাকটাক্ষে ভক্তের সমস্ত বিপদ দূর হয়, সেই মহাজাগতিক দিগ অম্বর (দিগম্বর) মহাদেবের প্রতি আমার মন আনন্দে প্রফুল্ল থাকুক। |
| জটাভুজঙ্গপিঙ্গলস্ফুরৎফণামণিপ্রভা... ॥ ৪ ॥ | যাঁরা জটায় জড়ানো লালচে নাগরাজ মণির দ্যুতিতে সকল দিক আলোকিত এবং যাঁর গায়ে হাতির চর্মের উত্তরীয় শোভা পাচ্ছে, সেই ভূতপতি শিব আমার মনে অদ্ভুত আনন্দ সৃষ্টি করুন। |
| সহস্রলোচনপ্রভৃত্যশেষলেখশেখর... ॥ ৫ ॥ | ইন্দ্র আদি দেবতাদের মাথার পুষ্পবৃষ্টির পরাগে যাঁর চরণপদ্ম ধূসরিত হয় এবং যিনি সর্পরাজ দ্বারা জটা বেঁধেছেন, সেই চন্দ্রশেখর মহাদেব আমাদের চিরস্থায়ী সম্পদ দান করুন। |
| ললাটচত্বরজ্বলদ্ধনঞ্জয়স্ফুলিঙ্গভা... ॥ ৬ ॥ | যাঁরা ললাটাগ্নি কামদেবকে ভস্মীভূত করেছে, দেবগণ যাঁকে প্রণতি জানায় এবং যাঁর মস্তকে সুধাময় চন্দ্রকলা বিরাজ করছে, সেই মহাকপালী শিব আমাদের রক্ষা করুন। |
| করালফালপট্টিকাধগদ্ধগদ্ধগজ্জ্বল... ॥ ৭ ॥ | যাঁরা কপালের প্রজ্জ্বলিত আগুনে কামদেবকে দগ্ধ করেছেন এবং যিনি দেবী পার্বতীর সৌন্দর্যের প্রধান শিল্পী, সেই ত্রিলোচনে আমার ভক্তি নিবেদিত হোক। |
| নবীনমেঘমণ্ডলী নিরুদ্ধদুর্ধরস্ফুরৎ... ॥ ৮ ॥ | যাঁরা মেঘমালার মতো ঘন কালো কণ্ঠ ধারণ করেছেন, যিনি গঙ্গা ধারণকারী এবং গজচর্ম পরিধানকারী, সেই জগৎভারক পরমেশ্বর আমাদের সমৃদ্ধি প্রদান করুন। |
| প্রফুল্লনীলপঙ্কজপ্রপঞ্চকালিমপ্রভা... ॥ ৯ ॥ | যাঁরা প্রস্ফুটিত নীলপদ্মের মতো কালো নীলকণ্ঠ শোভা পাচ্ছে, যিনি কামদেব, ত্রিপুরাসুর, যমরাজ ও অন্ধকাসুরকে বিনাশ করেছেন, সেই শিবকে আমি ভজনা করি। |
| অগর্বসর্বমঙ্গলাকলাকদম্বমঞ্জরী... ॥ ১০ ॥ | যাঁরা মহাকল্যাণময়ী দেবী পার্বতীর আনন্দসাগরে প্রফুল্ল এবং যিনি কালান্তক, ভবান্তক ও যমান্তক, সেই পরমেশ্বর শিবকে আমি প্রণাম করি। |
| জয়ত্বদভ্রবিভ্রমভ্রমদ্ভুজঙ্গমশ্বস... ॥ ১১ ॥ | যাঁরা জটার সর্পের ফোঁসফোঁসানিতে কপালের আগুন আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে এবং ডমরু ও মৃদঙ্গের 'ধিমি ধিমি' গভীর ধ্বনিতে তাণ্ডব নৃত্য রচেন, সেই শিব বিজয়ী হোন। |
| দৃষদ্বিচিত্রতল্পয়োর্ভুজঙ্গমৌক্তিকস্রজোর্... ॥ ১২ ॥ | পাথর ও শয্যা, সর্প ও মুক্তাহার, রত্ন ও মাটির ঢেলা, মিত্র ও শত্রু, তৃণ ও পদ্মনয়ন, প্রজা ও রাজাকে যিনি সমদৃষ্টিতে দেখেন—কখন আমি সেই সদাশিবকে ভজনা করব? |
| কদা নিলিম্পনির্ঝরীনিকুঞ্জকোটরে বসন্... ॥ ১৩ ॥ | কবে আমি গঙ্গার তীরে নিকুঞ্জে বাস করে, দুর্মতি ত্যাগ করে, মস্তকে অঞ্জলি ধারণ করে 'শিব' মন্ত্র উচ্চারণ করতে করতে চিরসুখী হতে পারব? |
| ইমং হি নিত্যমেবমুক্তমুত্তমোত্তমং স্তবং... ॥ ১৪ ॥ | যে ব্যক্তি প্রতিদিন এই উত্তম তাণ্ডব স্তোত্র পাঠ বা স্মরণ করে, সে পরম শুদ্ধি লাভ করে এবং মহাদেব শিবের পরম ভক্তি প্রাপ্ত হয়। |
| পূজাবসানসময়ে দশবক্ত্রগীতং যঃ... ॥ ১৫ ॥ | পূজার শেষে অথবা প্রদোষকালে লঙ্কারাজ দশানন (রাবণ) রচিত এই স্তোত্র যে পাঠ করে, ভগবান শম্ভু তাকে স্থির রথ, গজ, অশ্ব ও চিরস্থায়ী লক্ষ্মী প্রদান করেন। |
পৌরাণিক কথা ও উত্তরাখণ্ড রামায়ণ অনুসারে, লঙ্কারাজ রাবণ ছিলেন অত্যন্ত শক্তিশালী ও পরাক্রমশীল পণ্ডিথ। একবার অহংকার ও চরম শক্তি প্রদর্শন করতে গিয়ে রাবণ ভাবেন যে তিনি দেবাধিদেব মহাদেবের আবাসন কৈলাস পর্বতকেই উপড়ে তুলে নিজের রাজধানী লঙ্কায় নিয়ে যাবেন।
রাবণ যখন তাঁর সুদীর্ঘ কুড়িটি হাত দিয়ে পুরো কৈলাস পর্বতকে মাটি থেকে তুলে কাঁপাতে শুরু করেন, তখন কৈলাস পর্বত তীব্রভাবে কেঁপে ওঠে এবং দেবী পার্বতীও ভয় পেয়ে মহাদেবকে স্মরণ করেন। তখন পরমেশ্বর ভগবান শিব অতি শান্তভাবে সহাস্য বদনে নিজের চরণের বুড়ো আঙুল (পদাঙ্গুষ্ঠ) দিয়ে পর্বতটিকে নিচে সামান্য চেপে ধরেন।
শিবের চরণের সেই সামান্য ভারেই গোটা পর্বতটি রাবণের হাতের ওপর আছড়ে পড়ে এবং রাবণের হাত কৈলাস পর্বতের নিচে নির্মমভাবে চাপা পড়ে যায়। চরম যন্ত্রণা ও বেদনায় রাবণের আর্তনাদে ত্রিলোক কেঁপে ওঠে। রাবণ বুঝতে পারেন যে ভগবান শিবের শক্তির কাছে তাঁর অহংকার তুচ্ছ।
তখন নিজের অপরাধ বুঝতে পেরে এবং মহাদেবকে সন্তুষ্ট করে মুক্তির আকুতি জানাতে রাবণ সেই তীব্র বেদনার অবস্থাতেই তৎক্ষণাৎ স্বরচিত অসামান্য ছন্দোবদ্ধ, অলঙ্কারপূর্ণ ও গম্ভীর শব্দতরঙ্গে "শিব তাণ্ডব স্তোত্রম" গাইতে শুরু করেন। ১০০০ বছর ধরে রাবণ এই স্তোত্রম জপ করে মহাদেবের ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
রাবণের এই অগাধ পণ্ডিতি, ভক্তি ও অপূর্ব স্তুতিতে তুষ্ট হয়ে মহাদেব তাঁর চাপাপড়া হাত মুক্ত করেন। রাবণের এই প্রচণ্ড যন্ত্রণাদায়ক চিৎকার ও আর্তনাদের কারণেই মহাদেব তাঁর নাম দেন 'রাবণ' (যাঁহার আর্তনাদে জগত কম্পিত হয়)। সন্তুষ্ট হয়ে মহাদেব রাবণকে নিজের অজেয় খড়্গ 'চন্দ্রহাস' এবং প্রভূত বরদান প্রদান করেন।
শিব তাণ্ডব স্তোত্রম হলো সংস্কৃত সাহিত্যের এক পরম অলৌকিক কাব্য রূপক। এই স্তোত্রে মহাদেবের ডমরুর ডম-ডম শব্দ, জটাজাল থেকে গঙ্গার প্রপাত, গলার নাগরাজ, ললাটের অগ্নির তেজ এবং মহাজাগতিক অজেয় তাণ্ডব নৃত্যের ছন্দ রূপায়িত হয়েছে। মহাকবি ও পরম পণ্ডিত রাবণ রচিত এই স্তোত্র প্রতিদিন পাঠ করলে মহাদেবের অপার করুণা বর্ষিত হয়।
শিব তাণ্ডব স্তোত্রম একটি পরম তেজস্বী স্তোত্র। এটি পাঠ করার সময় কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত—
নিয়মিত শিব তাণ্ডব স্তোত্রম পাঠ করলে বহুবিধ শারীরিক ও আধ্যাত্মিক সুফল লাভ হয়—
যদি আপনি শিব তাণ্ডব স্তোত্রমের বাংলা পিডিএফ (PDF) ডাউনলোড বা প্রিন্ট করতে চান, তবে নিচের বোতামে ক্লিক করুন।
শ্রীরাম ভক্ত সংকটমোচন হনুমানজির শক্তি, ভক্তি, হনুমান চালিশা ও মন্ত্রসমূহ।
দুর্গতিনাশিনী মা দুর্গার মন্ত্র, মহিষাসুরমর্দিনী স্তোত্র ও চণ্ডী পাঠের মাহাত্ম্য।
ধন, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্যের দেবী মা লক্ষ্মীর ব্রতকথা, মন্ত্র ও আরতি।
সিদ্ধিদাতা ও বিঘ্নহর্তা গণপতির আরাধনা, গণেশ স্তোত্র ও সিদ্ধিমন্ত্র।
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার বাণী, কৃষ্ণাষ্টকম ও মধুর স্মারকাবলী।
মর্যাদা পুরুষোত্তম শ্রী রামের রামরক্ষা স্তোত্র, রামচন্দ্র আরতি ও জীবনকথা।
কালীপুজো, আদ্যাস্তোত্র, শ্যামাসঙ্গীত ও মা কালীর সিদ্ধ বীজমন্ত্রাবলী।
বিষ্ণু সহস্রনাম, সত্যনারায়ণ ব্রতকথা ও শ্রী হরির সহস্র অবতার কথা।
বিদ্যা, জ্ঞান ও চারুকলার দেবী মা সরস্বতীর পুষ্পাঞ্জলি ও স্তোত্র।
শনিদেবের সাড়ে সাতি প্রতিকার, শনি চালিশা ও শনি স্তোত্রাবলী।
আদিত্য হৃদয় স্তোত্র, সূর্য অর্ঘ্য দান বিধি ও গায়ত্রী মন্ত্র পাঠ।
শিরডির সাই বাবার কাকড় আরতি, মন্ত্র ও শ্রদ্ধা-সবুরি বাণী।
রথযাত্রা, পুরীর জগন্নাথ ধাম, জগন্নাথাষ্টকম ও মহাপ্রসাদ মাহাত্ম্য।
রবি থেকে কেতু-৯টি গ্রহের বীজমন্ত্র, নবগ্রহ পীড়াহর স্তোত্র ও প্রতিকার।