মা দুর্গা আরতি (Maa Durga Aarati in Bengali - "জয় অম্বে গৌরী, মইয়া জয় শ্যামা গৌরী") হলো মহাশক্তি দুর্গতিনাশিনী জগজ্জননী মা দুর্গার পূজার সমাপনলগ্নে নিবেদিত পরম ভক্তিময়, সিদ্ধ ও আনন্দদায়ক এক দিব্য আরতি স্তুতি। এখানে আপনি সম্পূর্ণ Durga Aarati in Bengali lyrics, প্রতিটি স্তবকের সহজ ও সুন্দর বাংলা ভাবার্থ (meaning), আরতির পঞ্চোপচার, আরতি করার সঠিক নিয়ম-পদ্ধতি ও আশ্চর্য উপকারিতা বিস্তারিত জানতে পারবেন এবং চাইলে Durga Aarati PDF Download করতে পারবেন। প্রতিদিন প্রাতে বা সন্ধ্যাকালে কর্পূর ও পঞ্চপ্রদীপ জ্বেলে ভক্তিভরে মা দুর্গার এই আরতি গাহন করলে গৃহের সমস্ত নেতিবাচক শক্তি, কলহ ও বাস্তুদোষ দূর হয়ে পরিবারে নিত্য সুখ, শান্তি ও পরম সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠিত হয়।
মা দুর্গার চরণে নিবেদিত জগদ্বিখ্যাত ও সর্বজনপ্রিয় আরতি 'জয় অম্বে গৌরী' নিচে সম্পূর্ণ তুলে ধরা হলো। প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় প্রদীপ প্রজ্বলন করে সমবেত কণ্ঠে এই আরতি গান করুন:
|
জয় অম্বে গৌরী, মাইয়া জয় শ্যামা গৌরী । তুমকো নিশিদিন ধ্যাওত, হরি ব্রহ্মা শিবরী ॥ ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ নির্দেশ: আরতির মূল ধ্রুবপদ (Chorus)। প্রতিটি অন্তরা বা স্তবকের সমাপ্তিতে এই চরণটি সমবেত কণ্ঠে ভক্তিভরে গাওয়া হয়। |
|
মাঙ্গ সিঁদূর বিরাজত, টিকো মৃগমদ কো । উজ্জ্বল সে দোউ নয়না, চন্দ্রবদন নীকো ॥ ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ নির্দেশ: দেবীর সীমন্তের সিঁদুর, কস্তুরীর তিলক ও পূর্ণচন্দ্রের ন্যায় রূপলাবণ্যের বন্দনা। |
|
কনক সমান কলেবর, রক্তাম্বর রাজৈ । রক্তপুষ্প গল মালা, কণ্ঠন পর সাজৈ ॥ ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ নির্দেশ: স্বর্ণকান্তি দেহ, রক্তিম বস্ত্র এবং কণ্ঠে রক্তজবার শোভাময় মালার রূপধ্যান। |
|
কেহরি বাহন রাজত, খড়্গ খপ্পরধারী । সুর-নর-মুনি-জন সেবত, তিনকে দুখহারী ॥ ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ নির্দেশ: সিংহবাহিনী, হস্তে খড়্গ ও খর্পরধারিণী দেবীর অসুরদলনী ও দুঃখহারিণী রূপের স্তুতি। |
|
কানন কুণ্ডল শোভিত, নাসাগ্রে মোতী । কোটিক চন্দ্র দিবাকর, সম রাজত জ্যোতি ॥ ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ নির্দেশ: কর্ণে দিব্য কুণ্ডল, নাসায় মুক্তা ও কোটি সূর্য-চন্দ্রের ন্যায় তেজরাশির বন্দনা। |
|
শুম্ভ-নিশুম্ভ বিদারে, মহিষাসুর ঘাতী । ধূম্র বিলোচন নয়না, নিশিদিন মদমাতী ॥ ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ নির্দেশ: অসুররাজ শুম্ভ, নিশুম্ভ ও মহিষাসুর সংহারিণী মহাদেবীর বীরত্বের জয়গান। |
|
চণ্ড-মুণ্ড সংহারে, শোণিত বীজ হরে । মধু-কৈটভ দৌ মারে, সুর ভয়হীন করে ॥ ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ নির্দেশ: চণ্ড, মুণ্ড, রক্তবীজ ও মধু-কৈটভ সংহার করে দেবতাদের নির্ভীক করার স্মৃতিচারণ। |
|
ব্রহ্মাণী রুদ্রাণী তুম কমলা রানি । আগম নিগম বখানী, তুম শিব পটরানি ॥ ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ নির্দেশ: ত্রিদেবী স্বরূপিণী—ব্রহ্মাণী, রুদ্রাণী, লক্ষ্মী ও মহাদেবের প্রধানা মহিষীর মহিমা। |
|
চৌষট যোগিনী গাওত, নৃত্য করত ভৈরো । বাজত তাল মৃদঙ্গা, ঔরু বাজত ডমরু ॥ ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ নির্দেশ: চৌষট্টি যোগিনী ও ভৈরবগণের আনন্দনৃত্য এবং মৃদঙ্গ-ডমরুর মঙ্গলধ্বনির বর্ণনা। |
|
তুম হী জগ কী মাতা, তুম হী হো ভরতা । ভক্তন কী দুঃখ হরতা, সুখ-সম্পত্তি করতা ॥ ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ নির্দেশ: নিখিল ব্রহ্মাণ্ডের মাতা, প্রতিপালক ও ভক্তগণের দুঃখহর এবং সুখ-সম্পদদাত্রী স্তুতি। |
|
ভূজা চার অতি শোভিত, বর-মুদ্রা ধারী । মনবাঞ্ছিত ফল পাওত, সেবত নর-নারী ॥ ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ নির্দেশ: চতুর্ভুজা দেবীর অভয় ও বরমুদ্রা এবং ভক্তদের মনস্কামনা পূরণের বন্দনা। |
|
কঞ্চন থাল বিরাজত, অগর কপূর বাতী । শ্রীমালকেতু মে রাজত, কোটি রতন জ্যোতি ॥ ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ নির্দেশ: সুবর্ণ থালিতে কর্পূর ও আগরের দীপ শিখা এবং রত্নমণ্ডিত জ্যোতির আরতি নিবেদন। |
|
শ্রী অম্বেজী কী আরতী, জো কোই নর গাওয়ে । কহত শিবানন্দ স্বামী, সুখ সম্পত্তি পাওয়ে ॥ ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ নির্দেশ: ফলশ্রুতি চরণ—রচয়িতা স্বামী শিবানন্দজি কর্তৃক বর্ণিত এই আরতি গানের পরম কল্যাণময় ফল। |
॥ ইতি শ্রী দুর্গা আরতি (জয় অম্বে গৌরী) সম্পূর্ণম্ ॥ 🙏
আরতির প্রতিটি চরণের গভীর ভক্তিময় ভাবার্থ নিচে সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় ব্যাখ্যা করা হলো:
| স্তবক | মূল পদ ও বাংলা ভাবার্থ |
|---|---|
| পদ ১ |
জয় অম্বে গৌরী, মাইয়া জয় শ্যামা গৌরী । তুমকো নিশিদিন ধ্যাওত, হরি ব্রহ্মা শিবরী ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ বাংলা অর্থ: হে জগন্মাতা অম্বে! হে শ্যামা গৌরী মা দুর্গা, আপনার জয় হোক! স্বয়ং ভগবান শ্রীহরি বিষ্ণু, সৃষ্টিকর্তা ব্রহ্মা এবং দেবাধিদেব শিব নিশিদিন দিবারাত্র পরম শ্রদ্ধার সাথে আপনারই ধ্যান ও আরাধনা করে থাকেন। |
| পদ ২ |
মাঙ্গ সিঁদূর বিরাজত, টিকো মৃগমদ কো । উজ্জ্বল সে দোউ নয়না, চন্দ্রবদন নীকো ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ বাংলা অর্থ: আপনার সীমন্তে উজ্জ্বল সিঁদুর শোভা পাচ্ছে এবং কপালে মৃগনাভি কস্তুরীর সুগন্ধি তিলক বিরাজমান। আপনার দুটি চোখ অত্যন্ত উজ্জ্বল ও জ্যোতির্ময় এবং আপনার অপূর্ব মুখমণ্ডল পূর্ণচন্দ্রের ন্যায় স্নিগ্ধ ও পরম সুন্দর। |
| পদ ৩ |
কনক সমান কলেবর, রক্তাম্বর রাজৈ । রক্তপুষ্প গল মালা, কণ্ঠন পর সাজৈ ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ বাংলা অর্থ: আপনার শ্রীঅঙ্গ খাঁটি স্বর্ণের মতো উজ্জ্বল আভায় দীপ্তিমান। আপনি মনোহর লাল রঙের দিব্য বস্ত্র পরিধান করে আছেন এবং আপনার গলায় রক্তজবা ফুলের মনোরম মালা অপূর্ব শোভা বিস্তার করছে। |
| পদ ৪ |
কেহরি বাহন রাজত, খড়্গ খপ্পরধারী । সুর-নর-মুনি-জন সেবত, তিনকে দুখহারী ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ বাংলা অর্থ: আপনি পরাক্রমশালী কেশরী সিংহের পিঠে আরোহণ করে বিরাজ করছেন। আপনার পবিত্র হস্তে তীক্ষ্ণ খড়্গ এবং খর্পর সুশোভিত। দেবতা, মানব ও মুনি-ঋষি সকলে আপনার শ্রীচরণ সেবা করেন এবং আপনি তাঁদের সমস্ত জাগতিক ও আধ্যাত্মিক দুঃখ হরণ করেন। |
| পদ ৫ |
কানন কুণ্ডল শোভিত, নাসাগ্রে মোতী । কোটিক চন্দ্র দিবাকর, সম রাজত জ্যোতি ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ বাংলা অর্থ: আপনার দুই কানে স্বর্ণ ও রত্নখচিত কুণ্ডল দুলছে এবং নাসিকাগ্রে অনুপম মুক্তার নথ শোভা পাচ্ছে। আপনার মুখমণ্ডল থেকে কোটি চন্দ্র ও কোটি সূর্যের সমান অসীম দিব্য জ্যোতি বিচ্ছুরিত হচ্ছে। |
| পদ ৬ |
শুম্ভ-নিশুম্ভ বিদারে, মহিষাসুর ঘাতী । ধূম্র বিলোচন নয়না, নিশিদিন মদমাতী ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ বাংলা অর্থ: আপনি অত্যাচারী অসুরভ্রাতা শুম্ভ ও নিশুম্ভকে সংহার করেছেন এবং মহিষাসুরকে বধ করে দেবকুলকে রক্ষা করেছেন। রণক্ষেত্রে ধূম্রলোচন বধের সময় আপনার চোখ দুটি পরম বিক্রমে রত ছিল। |
| পদ ৭ |
চণ্ড-মুণ্ড সংহারে, শোণিত বীজ হরে । মধু-কৈটভ দৌ মারে, সুর ভয়হীন করে ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ বাংলা অর্থ: আপনি চণ্ড ও মুণ্ড অসুরকে বিনাশ করে 'চামুণ্ডা' নামে খ্যাত হয়েছেন এবং রক্তবীজের প্রতিটি রক্তবিন্দু গ্রাস করে তাকে সংহার করেছেন। আপনি মধু ও কৈটভকে বধ করে দেবতাদের সম্পূর্ণ ভয়হীন ও নিষ্কণ্টক করেছেন। |
| পদ ৮ |
ব্রহ্মাণী রুদ্রাণী তুম কমলা রানি । আগম নিগম বখানী, তুম শিব পটরানি ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ বাংলা অর্থ: আপনিই ব্রহ্মা-শক্তি ব্রহ্মাণী, শিবের শক্তি রুদ্রাণী এবং নারায়ণের শ্রীশক্তি মা লক্ষ্মী (কমলা)। বেদ ও তন্ত্র (আগম-নিগম) আপনারই অপার মহিমা বর্ণনা করে এবং আপনি দেবাধিদেব শিবের প্রধানা পাটরাণী। |
| পদ ৯ |
চৌষট যোগিনী গাওত, নৃত্য করত ভৈরো । বাজত তাল মৃদঙ্গা, ঔরু বাজত ডমরু ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ বাংলা অর্থ: আপনার সম্মুখে চৌষট্টি যোগিনীগণ আনন্দে আপনার জয়গান গাইছেন এবং ভৈরবগণ উল্লাসে নৃত্য করছেন। সেই আনন্দোৎসবে তাল-মৃদঙ্গ ও মহাদেবের ডমরুর গম্ভীর মঙ্গলধ্বনি নিনাদিত হচ্ছে। |
| পদ ১০ |
তুম হী জগ কী মাতা, তুম হী হো ভরতা । ভক্তন কী দুঃখ হরতা, সুখ-সম্পত্তি করতা ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ বাংলা অর্থ: হে মা! আপনিই এই নিখিল ব্রহ্মাণ্ডের আদিমাতা এবং আপনিই সমগ্র জগতের প্রতিপালনকারী। আপনি শরণাগত ভক্তদের সমস্ত দৈন্য ও কষ্ট দূর করে তাঁদের জীবনে অশেষ সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি দান করেন। |
| পদ ১১ |
ভূজা চার অতি শোভিত, বর-মুদ্রা ধারী । মনবাঞ্ছিত ফল পাওত, সেবত নর-নারী ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ বাংলা অর্থ: আপনার চারখানি জ্যোতির্ময় শ্রীভুজ দিব্য অস্ত্রে ও বর-অভয় মুদ্রায় সুশোভিত। যে সকল নর-নারী একনিষ্ঠ চিত্তে আপনার সেবা ও আরাধনা করেন, তাঁরা সকলেই তাঁদের মনবাঞ্ছিত ফল অনায়াসে লাভ করেন। |
| পদ ১২ |
কঞ্চন থাল বিরাজত, অগর কপূর বাতী । শ্রীমালকেতু মে রাজত, কোটি রতন জ্যোতি ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ বাংলা অর্থ: সুবর্ণময় আরতি থালিতে সুগন্ধি আগর ও কর্পূরের শিখা প্রজ্বলিত হয়ে বিরাজ করছে। মন্দিরে কোটি কোটি রত্নের আলোর মতো আপনার আরতির জ্যোতি সর্বদিককে আলোকিত করে তুলছে। |
| পদ ১৩ |
শ্রী অম্বেজী কী আরতী, জো কোই নর গাওয়ে । কহত শিবানন্দ স্বামী, সুখ সম্পত্তি পাওয়ে ॥ জয় অম্বে গৌরী ॥ বাংলা অর্থ: পরম শ্রদ্ধেয় স্বামী শিবানন্দজি বলেছেন—যে ভক্ত ভক্তি ও নিষ্ঠার সাথে জগন্মাতা মা অম্বিকার এই পবিত্র আরতি প্রত্যহ গান করেন, তিনি জীবনে সকল প্রকার জাগতিক সুখ, মানসিক শান্তি ও চিরস্থায়ী পারমার্থিক সম্পত্তি লাভ করেন। |
শাস্ত্রীয় হিন্দু পূজাবিধি অনুসারে আরতি নিবেদন কেবল প্রদীপ দেখানো নয়, এটি পঞ্চভূতের (ক্ষিতি, অপ, তেজ, মরুৎ, ব্যোম) প্রতীক দ্বারা ঈশ্বরকে সর্বাত্মভাবে সমর্পণ করার এক মহাশুদ্ধ প্রক্রিয়া:
| উপচার | প্রতীকী বস্তু | আধ্যাত্মিক তাৎপর্য ও বিধি |
|---|---|---|
| ১. পঞ্চপ্রদীপ আরতি | ঘৃতের পাঁচ শিখাযুক্ত প্রদীপ | তেজ তত্ত্ব: পঞ্চপ্রদীপ হলো আত্মার পঞ্চপ্রাণ ও পঞ্চজ্ঞানেন্দ্রিয়ের প্রতীক। দেবীর চরণে প্রদীপ নিবেদনে অন্ধকার দূর হয়ে দিব্য জ্ঞানের উন্মেষ ঘটে। |
| ২. শঙ্খোদক আরতি | জলে পূর্ণ পবিত্র শঙ্খ | অপ বা জল তত্ত্ব: শঙ্খের পবিত্র জল দেবীর চরণে নিবেদন করে আরতি শেষে উপস্থিত ভক্তদের মাথায় শান্তির প্রতীক হিসেবে সিঞ্চন করা হয়। |
| ৩. ধৌত বস্ত্র আরতি | পরিষ্কার শুভ্র বা লাল বস্ত্র | ক্ষিতি বা পৃথিবী তত্ত্ব: পবিত্র বস্ত্র নিবেদনের মাধ্যমে ভক্ত নিজেকে দেবীর দৈব আশ্রয়ে সম্পূর্ণ সমর্পণ করেন। |
| ৪. সুগন্ধি পুষ্প ও চামর | রক্তজবা পুষ্প ও শ্বেত চামর | মরুৎ বা বায়ু তত্ত্ব: চামর দোলানোর মাধ্যমে অহংকার ও মনের চঞ্চলতা প্রশমিত হয় এবং পবিত্র সুবাস পরিবেশকে শুদ্ধ করে। |
| ৫. কর্পূর আরতি | খাঁটি সুগন্ধি কর্পূর (Camphor) | ব্যোম বা আকাশ তত্ত্ব: কর্পূর যেমন সম্পূর্ণ জ্বলে গিয়ে কোনো ছাই বা অবশেষ রাখে না, তেমনি ভক্তের অহংকার দেবীর আলোয় নিঃশেষ হয়ে যায়। |
মা দুর্গার আরতি করার সময় শাস্ত্রীয় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম মেনে চলা আবশ্যক:
প্রতিদিন ভক্তিভরে শ্রী দুর্গা আরতি গাহন ও দর্শনে ভক্ত জীবনে প্রত্যক্ষ যে সকল বরদান লাভ করেন:
প্রতিদিনের নিত্য আরতি ও দুর্গাপূজার সময় সহজে অধ্যয়নের জন্য নিচের বাটনে ক্লিক করে সম্পূর্ণ লিরিক্স ও নিয়মাবলী সরাসরি সেভ বা প্রিন্ট করে নিন: