সহেলি মিত্র, কলকাতা: চিনি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। এমনিতেই চিনির দাম (Sugar Price) হু হু করে বাড়ছে, যা মধ্যবিত্তের বাজেট একদম বিগড়ে রেখে দিয়েছে। এদিকে সামনেই রয়েছে একগুচ্ছ উৎসব। কিন্তু এই মরসুমের আগে, চিনি মজুতদারি (Sugar Stock Limit) রোধ করতে মোদী সরকার তৎপর হয়েছে এবং কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে। ভারত সরকার সেইসব ডিলারদের জন্য মজুতের সীমা নির্ধারণ করেছে, যারা প্রতি মাসে ১০ মেট্রিক টনের বেশি চিনি ব্যবহার করেন।
চিনি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের
সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, ডিলাররা ১৫ দিনের বেশি সময়ের জন্য চিনি মজুত রাখতে পারবেন না। এই আদেশটি ১লা সেপ্টেম্বর থেকে ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। গণেশ চতুর্থী, দশহেরা এবং দীপাবলির মতো উৎসবের কারণে আগস্ট থেকে নভেম্বর মাসের মধ্যে চিনির চাহিদা বাড়ে। এই সময়ে বিস্কুট এবং মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারী সংস্থাগুলো আগে থেকেই চিনি মজুত করে রাখে।
হু হু করে দাম বাড়ছে চিনির
সরকারের মতে, চিনির রেকর্ড মূল্য নিয়ন্ত্রণে একটি নতুন আদেশ জারি করা হয়েছে। এই আদেশ অনুযায়ী, যে সকল ব্যবসায়ী ১০ মেট্রিক টনের বেশি চিনি ব্যবহার করেন, তারা ১৫ দিনের বেশি চিনি মজুত রাখতে পারবেন না। এই সরকারি আদেশটি বুধবার প্রকাশ করা হয়। এই নিয়মটি ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে এবং ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। প্রকৃতপক্ষে, গত মাসে ডিলারদের ৩০ দিনের বেশি মজুত না রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। তা সত্ত্বেও দেশে চিনির দাম ১০ শতাংশ বেড়ে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে। এই চিনি কিনতে গিয়ে রীতিমতো আঁতকে উঠছে আমজনতা। এদিকে আগামী তিন মাস দাম বেশি থাকবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুনঃ শপিং মল থেকে অন্তর্বাস চুরি করে ধরা পড়লেন তৃণমূল নেত্রী! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শোরগোল
আরও জানা যাচ্ছে, ভারত চিনির সরবরাহ বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ বিবেচনা করছে। জানা গেছে, সরকার সীমিত শুল্কমুক্ত আমদানি এবং পাইকারদের জন্য মজুতের কঠোর সীমা নির্ধারণের মতো বিকল্পগুলো বিবেচনা করছে। উল্লেখ্য, ভারতে আগস্ট থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত চিনির চাহিদা তুঙ্গে থাকে। এই সময়ে গণেশ চতুর্থী, দশহেরা এবং দীপাবলির মতো প্রধান উৎসবগুলো পালিত হয়। বিস্কুট ও মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারকদের মতো বড় গ্রাহকরা উৎসবের আগেই মজুত গড়ে তোলেন। যদিও এ বছর অনিয়মিত বৃষ্টিপাত এবং শুষ্ক আবহাওয়া আখের ফসলকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, তাই এরকম পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে।










