বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পরা যাবে হিজাব। আপত্তি ছিল শুধুই টিপ, তিলকে (Lenskart Controversy)। তাছাড়াও হিন্দু ধর্মের অন্যতম চিহ্ন নারীদের শিথির সিঁদুর নিয়েও বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল। আর সেসব নিয়েই বিতর্কে জড়ায় দেশের জনপ্রিয় আইওয়্যার ব্র্যান্ড লেন্সকার্ট। বিতর্কে জল ঢালতে সংস্থার CEO পীযূষ বানসাল জানিয়েছিলেন, কর্মীদের ড্রেস কোড নিয়ে যে ডকুমেন্ট ভাইরাল হয়েছে সেটি বহু পুরনো। এরপরই সংস্থার CEO নিজেও গোটা বিষয়ের জন্য ক্ষমা চান। কিন্তু তাতেও থামেনি বিতর্ক। তাই একপ্রকার বাধ্য হয়েই এবার নতুন পোশাক বিধি জারি করল লেন্সকার্ট।
লেন্সকার্ট এর নতুন পোশাক বিধিতে কী আছে?
বিখ্যাত আইওয়্যার ব্র্যান্ড লেন্সকার্ট এর তরফে একেবারে নতুন পোশাক বিধি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, কর্মস্থলে কর্মীদের প্রফেশনাল লুক যেমন বজায় থাকবে তেমনই তাঁদের ধর্মীয় এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়কেও পূর্ণ সম্মান এবং স্বাধীনতা দেওয়া হবে। একই সাথে কাজের জায়গায় পেশাদারী পরিবেশের সাথে সাথে বহু তত্ত্ববাদ এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকেও স্বাগত জানানো হবে।
এদিন লেন্সকার্ট এর তরফে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়, কোম্পানির তরফে কর্মীদের যে ডার্ক ব্লু স্ট্যান্ডার্ড জিন্স, টি শার্ট, জুতো সহ আনুষাঙ্গিক জিনিস দেওয়া হয়েছে তার সাথে কর্মীরা নিজেদের ধর্মীয় চিহ্ন হিসেবে টিপ, তিলক, চুড়ি, সিঁদুর এমনকি হিজাব, পাগড়িও পরতে পারবেন। তবে সংস্থাটির তরফে এও জানানো হয়েছে, যেসব পোশাক ছেঁড়া বা বিদীর্ণ কিংবা সমাজে বৈষম্যমূলক বার্তা প্রদান করে সেই সব পোশাক পরা যাবে না।
We have heard you. Clearly and openly. Over the past few days, our community and customers have spoken – and we have listened.
Today, we are standardizing our In-Store Style Guide and sharing it publicly and transparently: https://t.co/lC8KlLLUZm
These guidelines explicitly and…
— lenskart (@Lenskart_com) April 18, 2026
অবশ্যই পড়ুন: কেন আটকে রাজ্য সরকারের কর্মীদের ৪% DA? কারণ জানাল নবান্ন
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়া লেন্সকার্ট এর কর্মীদের ড্রেসকোড সংক্রান্ত একটি ডকুমেন্ট ভাইরাল হয়। যেখানে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছিল, সংস্থার কর্মীরা হিজাব বা বোরখা পরলেও কপালে তিলক, টিপের মতো চিহ্নগুলি ব্যবহার করতে পারবেন না। একই সাথে সিঁদুর পরা নিয়েও জারি করা হয় নির্দেশিকা। আর তারপরেই তৈরি হয় বিতর্ক। সংস্থাটির বিরুদ্ধে দ্বিচারিতা এবং হিন্দু ধর্মবিদ্বেষী আচরণের অভিযোগ ওঠে। তার পরপরই লেন্সকার্ট এর CEO পীযূষ নিজের এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়ে দেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ড্রেস কোড সংক্রান্ত ডকুমেন্ট ভাইরাল হয়েছে সেটা তাদের বহু পুরনো নির্দেশিকা। সময়ের সাথে সাথে বহু নিয়ম-কানুন বদলেছে সংস্থা। এই নির্দেশিকার সাথে তাঁদের নতুন পোশাক বিধির কোনও মিল নেই।










