সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ একি অবস্থা! আবারও স্কুলের মিড ডে মিলে (Midday Meal Scheme) মিলল মরা সাপ! শুনে চমকে গেলেন তো? কিন্তু এটাই সত্যি। বিহারে এরকম ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। এমন বহু স্কুল আছে যেখানকার পড়ুয়ারা বাড়িতে দুবেলা দুমুঠো খেতে পায় না। সেখানে অনেকের কাছে ভরসা এই স্কুলের মিড ডে মিল। কিন্তু এবার সেই খাবারেও কিনা দেখা মিলল সাপের। এহেন ঘটনায় শিউরে উঠেছে রাজ্য তথা সমগ্র ভারত। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।
স্কুলের মিড ডে মিলে সাপ!
জানা গিয়েছে, বিহারের সাহারসা জেলার মহিষী ব্লকের একটি সরকারি স্কুলে মিড ডে মিল খাওয়ার সময়ে ব্যাপক হট্টগোল শুরু হয়। খাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ২৫০ জনেরও বেশি শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। খাবার খাওয়ার পরেই একে একে পড়ুয়ারা জানাতে থাকে যে তাঁদের বমি, পেটে ব্যথা হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় স্কুল ও গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অসুস্থ সব শিশুকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে সাহারসা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
আরও পড়ুনঃ কোভিড কেড়ে নিয়েছিল বাবাকে, কী হতে চায় মাধ্যমিকে প্রথম অভিরূপ ভদ্র? —
গুরুতর অভিযোগ অভিভাবকদের
এই ঘটনার পর অভিভাবকরা অভিযোগ করেন যে দুপুরের খাবারে একটি সাপ পাওয়া গিয়েছিল। একজন অভিভাবক জানান, তাঁর সন্তান স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে খাবারে একটি সাপ দেখতে পাওয়ার কথা জানায়। খবরটি ছড়িয়ে পড়া মাত্রই গ্রামবাসীরা স্কুলে ছুটে যান। অভিভাবকরা আরও জানান, স্কুল অফিসে খাবারের একটি প্লেটের ওপর একটি বড় সাপ পড়ে থাকতে দেখা যায়। সাপটিকে তেলিয়া প্রজাতির বলে মনে হচ্ছিল। এই দৃশ্য দেখে শিশুরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে এবং তাদের মধ্যে কয়েকজন জ্ঞানও হারায়।
#WATCH | Saharsa, Bihar: Over 250 children fell ill after consuming the mid-day meal at a government school in Mahishi Block. Visuals from the local hospital where these children are being treated. (7.5) pic.twitter.com/0tBQj7s1nF
— ANI (@ANI) May 8, 2026
গ্রামবাসীরা জানান, প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন শিশু তীব্র পেটে ব্যথা ও অস্বস্তির কথা জানায়। এই ঘটনার পর পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মহেশপুরে উপযুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থার অভাবে অনেক পরিবার নিজেদের উদ্যোগে তাদের সন্তানদের সাহারসায় নিয়ে যায়। অর্থাৎ এই ঘটনা যেন আবারও চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল স্কুলের দুরবস্থার কথা, ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপনা কেমন সেটাও জানা গেল।










