বদলে যাবে ভারতের ভবিষ্যৎ? এই রাজ্যে মিলেছে টন টন সোনার ভান্ডার

Published:

Gold Reserve In Andhra Pradesh

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতের অতি পরিচিত রাজ্য অন্ধ্রপ্রদেশে প্রথমবারের মতো বৃহৎ বেসরকারি সোনার খনি (Gold Reserve) চালু হতে চলেছে। জানা যাচ্ছে, সে রাজ্যের কুর্নুল জেলার জেনানগিরি প্রকল্পটি আগামী মে মাসেই চালু হয়ে যাবে। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই প্রকল্পটির দায়িত্বে রয়েছে জিওমাইসোর সার্ভিসেস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড। বিশেষজ্ঞদের অনেকেই মনে করছেন, অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্নুলে যে সোনার খনির হদিশ পাওয়া গিয়েছে তা আগামী দিনে ভারতের সোনার আমদানির উপর নির্ভরতা কমাবে।

400 কোটির বিনিয়োগ

দ্য ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্ধ্রপ্রদেশের জোনানগিরি প্রকল্পটি কমপক্ষে 598 ভেক্টর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। জানা যাচ্ছে, এই প্রকল্পে একেবারে 400 কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। বলাই বাহুল্য, এই প্রকল্পটি প্রাথমিকভাবে 13.1 টন সোনার মজুদ নিয়ে শুরু হবে। যদিও পরবর্তীতে এই সোনার মজুদের পরিমাণ বাড়িয়ে 42.5 টন করা হতে পারে। সূত্রের খবর, প্রত্যেক বছর অন্ধ্রপ্রদেশের এই প্রকল্পে সর্বোচ্চ 1,000 কেজি সোনা উৎপাদন করা সম্ভব।

অনেকেই মনে করছেন, খুব শীঘ্রই অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু এই প্রকল্প নিয়ে রাজ্যবাসীর উদ্দেশ্যে বড় কোনও ঘোষণা রাখবেন। যদিও আপাতত এ নিয়ে সে রাজ্যের সরকারের তরফে বিশেষ কিছু জানানো হয়নি। বিশেষজ্ঞ মহলের দাবি, এই সোনার খনি থেকে দেশীয় প্রযুক্তিতে প্রত্যেক বছর বিপুল পরিমাণ সোনা উত্তোলন করা গেলে আগামী দিনে দেশের সোনা আমদানির উপর নির্ভরতা কিছুটা হলেও কমবে। শুধু তাই নয়, এই প্রকল্পটিতে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সংস্থার বিনিয়োগ যেমন বাড়বে তেমনই তৈরি হবে কর্মসংস্থান। সেই সাথে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জল এবং দক্ষতার উন্নয়নে বিশেষ নজর দেবে সরকার।

অবশ্যই পড়ুন: পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ফুটবল ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা! মাঠে নামবেন মেসিও?

প্রসঙ্গত, ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলর দাবি, মরসুমের কারণে এবং সোনার দামে ব্যাপক উত্থান পতনের জন্য গত মার্চ মাসের শুরুর দিকে সোনার চাহিদা কিছুটা কমেছিল ঠিকই কিন্তু তা সত্ত্বেও বিয়ের মরসুমে গহনা কিনতে ভোলেননি ক্রেতারা। সবচেয়ে বড় কথা, সোনার চাহিদা কিছুটা দুর্বল হলেও সিজনে ব্যাপক হারে সোনা বিক্রি হয়েছে। এর ফলে সংস্থাগুলির রাজস্বের পরিমাণ 32 শতাংশ থেকে বেড়ে 124 শতাংশে পৌঁছেছে।