বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভূমিকম্পে (Earthquake) কেঁপে উঠল মহারাষ্ট্রের নাসিক। একবার নয় পরপর দুবার জোরালো কম্পন অনুভূত হয়েছে মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) শহরটিতে। শনিবার, রাত দশটা নাগাদ প্রথম কম্পন অনুভুত হয় সেখানে। এরপর রবিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ দ্বিতীয়বার ভূমিকম্প হয় নাসিকে। যদিও প্রথমবার ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল সবচেয়ে বেশি, রিখটার স্কেলে 4.3। জানা যাচ্ছে, জোড়া ভূমিকম্পের কারণে সুরগানা ও দিনদোরি তালুকের একাধিক বাড়িতে লম্বা ফাটল দেখা দিয়েছে। তবে এই ঘটনায় হতাহতের খবর মেলেনি।
ভূমিকম্পের উৎসস্থল?
খোঁজ নিয়ে জানা গেল, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাত সীমান্তের কাছে অবস্থিত ভানওয়াদ এলাকার মাটির 5 কিলোমিটার গভীরে ছিল ভূমিকম্পের উৎস। সেখান থেকেই তা ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য এলাকাগুলিতে। জানা যাচ্ছে, মহারাষ্ট্রের নাসিকের পাশাপাশি এই ভয়াবহ ভূমিকম্পের কারণে সুরগানা ছাড়াও কালওয়ান, চান্দওয়াদ, পেঠ, দেওলা, দিনদোরির মতো একাধিক এলাকায় তৈরি মাটির বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে। সূত্রের খবর, সুরগানার ভাদর গ্রাম সহ অন্যান্য একাধিক গ্রামে ভূমিকম্পের কারণে ঘর ছেড়ে বাইরে চলে এসেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
🚨 #NewsAlert | An earthquake of magnitude 3.8 on the Richter scale was recorded 49 km NNW of Nashik in Maharashtra, according to the National Center for Seismology.#Earthquake | #Nashik | #Maharashtra | #EarthquakeNews | #EarthquakeAlert | #SeismicActivity | #EarthquakeUpdate… pic.twitter.com/dgjhKW8QUE
— United News of India (@uniindianews) August 8, 2026
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, জোড়া ভূমিকম্পের কারণে আতঙ্কিত হয়ে ছোটাছুটি করতে থাকেন ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলির বাসিন্দারা! অনেকেই ভয়ে রাস্তায় এসে আশ্রয় নিয়েছেন বলেই খবর। দুবারের ভূমিকম্পে সাধারণ বাড়ি ঘরের কী কী ক্ষতি হয়েছে তা খতিয়ে দেখছে স্থানীয় জেলা প্রশাসন। এমনকি ওই ভূমিকম্পের কারণে বাঁধগুলিতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অবশ্যই পড়ুন: ৮ নতুন বিচারপতি পেল কলকাতা হাইকোর্ট, রাষ্ট্রপতির অনুমতির ১২ ঘণ্টার মধ্যেই হল কাজ
স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, ভূমিকম্পের কারণে অযথা আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন এবং সতর্ক থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলির বাসিন্দাদের। এমনকি ভবিষ্যতে ফের ভূমিকম্প হলে কীভাবে তাঁরা নিজেদের সুরক্ষিত রাখবেন, পরিস্থিতির সাথে কীভাবে মোকাবিলা করবেন সবটাই বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে স্থানীয়দের। এছাড়াও গুজবে কান না দেওয়ারও পরামর্শ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।










