সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে রেহাই পেল বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat Express)। রবিবার ২৬৫০২ গোরখপুর-পাটনা বন্দে ভারত এক্সপ্রেসটি যখন প্রায় ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার গতিতে ছুটছে তখন হঠাৎ করেই লোকো পাইলট জ্ঞান হারান। তৎক্ষণাৎ সহকারী লোকো পাইলটের উপস্থিত বুদ্ধির কারণে ট্রেনটি নিরাপদে পরবর্তী স্টেশনে পৌঁছয়, এবং বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পায় যাত্রীরা। ঘটনাটি সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে রেল আধিকারিকদের মধ্যে।
দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেল বন্দে ভারত এক্সপ্রেস
রিপোর্ট অনুযায়ী, রবিবার সকাল ৫:৪৬ মিনিট নাগাদ গোরখপুর-পাটনা বন্দে ভারত এক্সপ্রেসটি গোরখপুর জংশন থেকে নির্ধারিত সময়েই যাত্রা শুরু করে। তবে ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন পার করার পর হঠাৎ করেই লোকো পাইলটের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটে, এবং তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। তখন ট্রেনটি আনুমানিক ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার গতিতে ছুটছে। সেই অবস্থায় অ্যাসিস্টান্ট লোকো পাইলটই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং ট্রেনটিকে নিরাপদে পরবর্তী স্টেশন উনাউলায় দাঁড় করান। এরপর ওই স্টেশনেই লোকো পাইলটের প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়, এবং তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। এরপর তিনি ফের ট্রেনটি নিয়ে যাত্রা শুরু করেন।
তবে আশ্চর্যজনক ব্যাপার, ট্রেনটি পিপরাইচ স্টেশনের কাছাকাছি পৌঁছলে তাঁর শারীরিক অবস্থার আবারও অবনতি ঘটে। এরপর তাঁকে ট্রেন থেকে নামিয়ে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেই অবস্থায় বিকল্প কর্মী হিসেবে একজন দ্বিতীয় লোকো পাইলট এবং একজন প্রশিক্ষক গার্ডকে ওই ট্রেনে নিয়োগ করা হয়। এরপরই বন্দে ভারত এক্সপ্রেসটি ফের পাটনার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।
আরও পড়ুন: আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগেই ইংল্যান্ডের ঘরে বাঁধল অশান্তি!
এ বিষয়ে রেলের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানান, চালক অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণে সহকারী লোকো পাইলটের উপস্থিত বুদ্ধির কারণে ট্রেনটিকে নিরাপদ স্টেশনে থামানো সম্ভব হয়েছে। নাহলে বড়সড় বিপদ ঘটতে পারত। তবে এরপর একটি বিকল্প দল গঠন করে ট্রেনটিকে পুনরায় পাটনার উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে ওই লোকো পাইলট সুস্থ রয়েছেন এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি ঘটছে। যদিও আপাতত তাঁকে চিকিৎসকরা পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।










