হাসপাতালে কটি বেড খালি তা জানা যাবে AI-র মাধ্যমেই, বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

Published:

Hospital Bed

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে, এবং সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করতে বিরাট উদ্যোগ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর। এবার আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই ভিত্তিক সফটওয়্যারের মাধ্যমে সরাসরি জানা যাবে যে রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে আইসিইউ এবং সাধারণ বেড উপলব্ধ আছে কিনা (Hospital Bed)। অর্থাৎ, হাসপাতাল সংক্রান্ত রিয়েল টাইম ডেটা গ্রাহকদের মধ্যে সরবরাহ করবে এই এআই ভিত্তিক সিস্টেম। এতে চিকিৎসা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন হতে পারেই বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।

AI-র মাধ্যমেই জানা যাবে বেডের উপলব্ধতা

আসলে এই ঘোষণা করা হয়েছে বিজেপি শাসিত রাজ্য বিহার সরকারের তরফ থেকে। রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিশান্ত কুমার নিজেই এই উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন। বিধানসভায় অনুষ্ঠিত একটি এআই এবং পিএমআইএস সচেতনতা কর্মসূচিতে যোগদান করতে গিয়েই তিনি এই তথ্য প্রদান করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই এআই ভিত্তিক সিস্টেম রাজ্যের জেলা হাসপাতাল এবং অন্যান্য সরকারি হাসপাতালগুলিতে আইসিইউ আর সাধারণ বেডের প্রাপ্যতা সম্পর্কে সরাসরি তথ্য সাধারণ মানুষদের মধ্যে সরবরাহ করবে। এর মাধ্যমে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে রোগী ট্রান্সফার আরও দ্রুত হবে। এমনকি এতে স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও উন্নত হবে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, রাজ্যের ১৪ হাজারের বেশি স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে এবার ভিওআইপি ফোন এবং ভিডিও প্রযুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত করা হবে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তোড়জোড়। এর ফলে সাধারণ রোগীদের সাথে চিকিৎসকদের সংযোগ আরও বাড়বে। পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলে চিকিৎসা পরিষেবা আরও দ্রুত পৌঁছবে। কারণ সরকারের মূল লক্ষ্যই হল, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্রামীণ আর প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলিতে উন্নতমানের স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া।

আরও পড়ুন: চাকরি দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ, ভবানী ভবনে অভিষেকের PA-কে আজ তৃতীয় তলব

মন্ত্রী এদিন বিধানসভায় পিএমআইএস পোর্টালের উপকারিতা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি জানান, এই পোর্টালটি মুখ্যমন্ত্রীর এলাকা উন্নয়ন প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পকে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর করবে। এমনকি স্বাস্থ্য থেকে শুরু করে শিক্ষা, কৃষি, সমাজকল্যাণ কর্মসূচির সঠিক সুবিধা উপযুক্ত মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই সরকারের মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সরকারের লক্ষ্য শুধুমাত্র সরকারি ব্যবস্থাগুলিকে ডিজিটাইজ করা নয়, বরং প্রযুক্তির মাধ্যমে জনগণকে দ্রুত আর স্বচ্ছ পরিষেবা প্রদান করা।