বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: নেপালের (Nepal) সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মাঝেই এবার পাকিস্তানি, বাংলাদেশীদের দেশছাড়া করার দাবিতে জায়গায় জায়গায় জনপ্রতিনিধিদের ঘেরাও করল নেপালের জনগণ। নতুন করে হিন্দু রাষ্ট্র পুনর্বহাল করার দাবি জানিয়ে পথে নেমেছে নেপালবাসী। একই সাথে হিন্দুদের অধিকার এবং নিরাপত্তার দাবিও তোলা হয়েছে তাঁদের তরফে। সময় যত গড়াচ্ছে ততই বড় আকার ধারণ করছে নেপালের জনরোষ।
আমজনতার ক্ষোভের মুখে নেপালের সাংসদরা
কিছুদিন আগেই নেপালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার খবরে ছেয়ে গিয়েছিল সংবাদ মাধ্যমের পাতা। সেই ঘটনার পর এবার নতুন করে দেশটিকে হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে পুনর্বহাল করার দাবি জানিয়ে নেপালের রাজপথে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন সে দেশের বাসিন্দারা। জায়গায় জায়গায় আমজনতার ক্ষোভের মুখে পড়েছেন জনপ্রতিনিধিরা। নেপালের সিরাহা জেলায় ন্যাশনাল ইন্ডিপেন্ডেন্ট পার্টির সাংসদ বাবলু গুপ্তাকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
কাঠমান্ডু পোস্টের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিক্ষোভকারীদের দাবি, তাঁরা হিন্দু রাষ্ট্রের প্রত্যাবর্তন এবং দেশে পরিবর্তনের আশা নিয়ে জনপ্রতিনিধিদের সমর্থন করেছিলেন। তবে যে আশা নিয়ে তাঁরা ভোট দান করেন হচ্ছে ঠিক তার উল্টোটা। জনপ্রতিনিধিরাই তাঁদের নাকি উপেক্ষা করছেন। আসলে নেপালে এমন বিক্ষোভের নেপথ্যে সবচেয়ে বড় কারণ সাম্প্রতিক দাঙ্গা।
অবশ্যই পড়ুন: অবসর ঘোষণার পর আবার মুখ খুললেন অজিঙ্কা রাহানে, নতুন ঘোষণা?
বলাই বাহুল্য, গত 26 জুলাই রাত থেকেই অশান্ত নেপাল। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কবলে পড়ে মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। আহত হয়েছেন অনেকেই। এমতাবস্থায় নেপালের হিন্দু সংগঠনগুলি 15 দফার স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। তাঁদের প্রধান দাবিগুলির মধ্যে প্রথমেই রয়েছে নেপালকে হিন্দুরাষ্ট্র ঘোষণা করা হোক। এখানেই শেষ নয়, প্রতিবেশী দেশটির যেখানে যা বাংলাদেশি ও পাকিস্তানী অনুপ্রবেশকারী রয়েছে তাঁদের প্রত্যেককে দেশছাড়া করার দাবি জানিয়েছেন নেপালের মানুষ। শুধু তাই নয়, 1990 সালের পর থেকে যাঁদের নেপালের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে সেসব বিষয়গুলিও ফের খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।










