সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: এমনিতেই নিজেদের দেশের (Pakistan) অবস্থা বেহাল। অর্থনৈতিকভাবে এশিয়ার অন্যতম দুর্বল দেশ বলতে গেলে পাকিস্তান। সেই কারণে কাজের সূত্রে দেশটির বিপুল সংখ্যক মানুষ কাজের জন্য সৌদি আরবে পাড়ি জমান। তবে মজার ব্যাপার, সেখানেই কিছু পাকিস্তানি নাগরিকের ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি চলতি বছরের জুন মাসেই রিয়াদে ভিক্ষা করার অভিযোগে পাকিস্তানের নাগরিকদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। আরে এবার তাদের উদ্দেশ্যেই সতর্কবার্তা জারি করল পাকিস্তানি দূতাবাস।
সৌদি আরবে আর ভিক্ষাবৃত্তি নয়
সম্প্রতি পাকিস্তানের নাগরিকদের এই ধরনের কার্যকলাপের বিষয়ে কড়া সতর্কবার্তা জারি করেছে সৌদি আরবে অবস্থিত পাকিস্তানের দূতাবাস। এক ভিডিও বার্তায় সৌদিতে সফররত পাকিস্তানের তীর্থযাত্রী এবং কর্মীদের ভিক্ষাবৃত্তি বা এরকম ধরনের কার্যকলাপে জড়িত না থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। এমনকি দূতাবাস স্পষ্ট করেছে যে, সৌদি আরবে ভিক্ষাবৃত্তি ফৌজিদারি অপরাধ। এই নিয়ম লঙ্ঘন করলে দেশটি সরকার কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।
দূতাবাস আরও জানিয়েছেন, অবৈধ ভিক্ষাবৃত্তির ফলে গ্রেফতার, নির্বাসন, এমনকি ভবিষ্যতে সৌদি আরবে পুনরায় প্রবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হতে পারে। পাশাপাশি সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তরফ থেকেও এই সমস্ত কার্যক্রমের উপর নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছে। পাশাপাশি জানানো হয়েছে, ভিক্ষাবৃত্তি করতে গিয়ে ধরা পড়লে বিদেশি নাগরিকদের সাজা হওয়ার পর সরাসরি নির্বাসনে পাঠানো হবে।
আরও পড়ুন: সল্টলেকের গেস্ট হাউসে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেফতার এক সাব ইন্সপেক্টর
এমনকি পাকিস্তানি দূতাবাস সৌদির পবিত্র স্থানগুলোতে কিছু নির্দিষ্ট কার্যকলাপের বিরুদ্ধেও বিশেষভাবে সতর্কবার্তা জারি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে হুইলচেয়ার পরিষেবা প্রদান, চুল কাটা বা নাপিতের পরিষেবা, অনুদান কিংবা আর্থিক সহায়তা বিতরণ, অর্থ বিতরণ বা অর্থ ধার দেওয়া। পাশাপাশি সৌদি আরবের আইন সম্পূর্ণরূপে মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশের নাগরিকদের। নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে, একজন দায়িত্বশীল পাকিস্তানি নাগরিক হিসেবে অবৈধ কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকায় সবথেকে বুদ্ধিমানের কাজ। ফলে পাকিস্তানের নাক যে গোটা বিশ্বের সামনে আবারও কাটল তা বলার অপেক্ষা রাখে না।










