‘পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের আশ্রয়দাতা’ ইমরান খানকে নিশানা করতে গিয়ে স্বীকার করলেন শেহবাজ!

Published:

Pak Pm

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: পাকিস্তানের (Pakistan) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে নিশানায় এনে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন পশ্চিমের দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ (Shehbaz Sharif)। এদিন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে নিচু দেখাতে গিয়ে শরীফ একপ্রকার শিকার করেই নিলেন পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের আশ্রয়দাতা! পাক প্রধানমন্ত্রী বললেন, ইমরান খানের সরকারের আমলেই আফগানিস্তান থেকে জঙ্গিদের পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। সে কারণেই নাকি পরবর্তীতে ওই অঞ্চলে মাথাচাড়া দেয় জঙ্গি কার্যকলাপ।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বড় স্বীকারোক্তি!

সম্প্রতি পাকিস্তানের মুসলিম লিগ-নওয়াজের এক বৈঠকে বক্তব্য রাখতে গিয়ে দেশটির প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে সরাসরি নিশানা করেন শেহবাজ। পশ্চিমের দেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “2019-20 সালে ইমরান খান সরকারের সময় আফগানিস্তান থেকে সশস্ত্র জঙ্গিদের ফিরিয়ে এনে পাকিস্তানের সোয়াট-সহ খাইবার পাখতুনখোয়ার বিভিন্ন এলাকায় পুনর্বাসন দেওয়া হয়েছিল।” শরীফের অভিযোগ, ইমরান খান সরকারের ওই এক সিদ্ধান্তের কারণেই পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছিল।

পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর আরও অভিযোগ, ইমরান খান সরকারের সময় জঙ্গিরা পাকিস্তানে চলে আসায় দেশটির অর্থনীতি এবং সাধারণ মানুষের জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। তাছাড়াও খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে দীর্ঘদিন ইমরানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও জঙ্গি দমনে তারা যথেষ্ট পদক্ষেপ নেয়নি। তাঁর দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেখানে জরুরি অবস্থা এবং গভর্নর শাসন জারি করা হয়েছিল। সবমিলিয়ে বলাই যায়, ইমরান খানকে দোষ দিতে গিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কার্যত স্বীকার করে নিলেন যে, দেশটিতে জঙ্গিদের রাজত্ব চলছে!

আরও পড়ুন: ‘ভারত শুধু আমাদের বাণিজ্যিক অংশীদার, এর থেকে বেশি কিছু নয়!’ সতর্ক করল রাশিয়া?

প্রসঙ্গত, ইমরান খানের সরকারের বিরুদ্ধে জঙ্গি মদতের অভিযোগ তুললেও তার স্বপক্ষে কোনওরকম প্রমাণ দেখাতে পারেননি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। তাছাড়াও এর আগে শরীফ সরকারের তরফে বারবার এই ধরনের অভিযোগ তোলা হলেও ইমরান খানের দল তা অস্বীকার করেছে। এবারেও পাক প্রধানমন্ত্রীর সমস্ত দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন PTI সদস্য থেকে শুরু করে সমর্থকরা।

google button