প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সামনেই আসছে পুজো, তাই নিজেকে সুন্দর করে সাজিয়ে তুলতে সকলেই এখন নিজেদের ফিটনেসের (Health Tips) প্রতি নজর রেখেছে। যোগব্যায়াম, জিম যেমন করছেন অনেকে তেমনই আবার খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রেও নিয়ন্ত্রণ (Weight Loss Before Puja) আনা হচ্ছেন কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে কোনও খাদ্যাভ্যাস আচমকা বদলে ফেলাও বেশ চাপের। তবে চিন্তা নেই, মাত্র কয়েকটি পরিবর্তন আনলেই পুজোর আগে আপনিও নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবেন ওজন।
বাড়তি ওজন নিয়ে বাড়ছে চিন্তা
নতুন জামাকাপড়, পুজোর সাজ আর ছবিতে নিজেকে যদি ফিট না লাগে তাহলে কি আর হয়? ফলে অনেকেই এখন বাড়তি ওজন ঝরানোর তাগিদে ডায়েট কিংবা শরীরচর্চা শুরু করে দিয়েছে। তাই পুজোর আগে দ্রুত ওজন কমানোর চেষ্টায় না গিয়ে যদি এখন থেকেই কয়েকটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস (Weight Loss Tips) নিয়মিতভাবে মেনে চলেন, তাহলে শরীরকে ফিট রাখার পাশাপাশি ধীরে ধীরে ওজন নিয়ন্ত্রণেও আনা সম্ভব। তাহলে চলুন আমাদের আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে সম্পূর্ণটা জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।
ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে কী কী দরকার
- ফিট থাকতে চাইলে প্রথমেই শরীরচর্চা করা খুব জরুরি। এর জন্য সপ্তাহে অন্তত চার থেকে ছ’দিন ব্যায়াম করতে হবে। তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যায়াম নয়, নিজের দক্ষতা অনুযায়ী নিয়মিত ওয়ার্কআউট, হাঁটা কিংবা অন্য কোনও শরীরচর্চা করলেই হবে। অন্তত ১৫-৩০ মিনিট সময় দিন শরীর চর্চার জন্য।
- সাদা পাউরুটি সাধারণত ময়দা দিয়ে তৈরি হয়, ফাইবার কম থাকে। ফলে পেট বেশিক্ষণ ভরা না-ও থাকতে পারে। এর বদলে আটার পাউরুটি, মাল্টিগ্রেন পাউরুটি বা ওটস বেছে নেওয়া যেতে পারে। এতে খাবারে ফাইবার বাড়বে এবং পেট ভরা রাখার সম্ভাবনাও বেশি।
আরও পড়ুন: রাধাষ্টমীর পুণ্যতিথিতে এই ৪ কাজ করলেই মিলবে সুখ-শান্তি, জেনে নিন বিস্তারিত
- প্যাকেটজাত খাবার খাওয়া যাবে না। কারণ নুন, তেল ও ক্যালোরি বেশ বেশি থাকে এই খাবারগুলিতে। এতে মুখ ফোলা দেখায়। ওজন নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে যায়। এক্ষেত্রে এর বদলে রোস্টেড মাখানা, ভাজা ছোলা বা পরিমাণমতো বাদাম খাওয়া যেতে পারে। এগুলি তুলনামূলক ভাবে বেশি পুষ্টিকর।
- ওয়ার্ক ফ্রম হোম বা অফিসের কাজে কাজ করতে করতে টানা ৯ -১০ ঘণ্টা চেয়ারে বসে থাকতে হয়। যার ফলে শরীরে জমে চর্বি। এক্ষেত্রে প্রত্যেকের জীবনযাত্রার প্রভাব পড়ে ওজনে। পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন দিনে অন্তত আধ ঘণ্টা হাঁটুন। এছাড়াও ওজন কমানোর জন্য দরকার পর্যাপ্ত বিশ্রাম। তাই প্রতিদিন অন্তত সাড়ে ছ’ঘণ্টা থেকে সাত ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।










