সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রাজ্যের কৃষকদের (Farmer) জন্য বড় স্বস্তির খবর। হ্যাঁ, রাজ্য সরকারের পুণ্যস্লোক অহল্যাদেবী হোলকর শেতকরী কর্জমুক্তি যোজনার আওতায় এবার প্রথম দফায় মোট ৬.২ লক্ষ কৃষকের ঋণ অ্যাকাউন্টে সরাসরি ৫০২৭ কোটি টাকা জমা পড়ল। আধার ভেরিফাইড কৃষকরা পেয়েছেন এই সরকারি সুবিধা। এমনকি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রথম পর্যায়ে আধার যাচাইকরণ সম্পূর্ণ করা ৬.২ লক্ষ কৃষকের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ঋণ মকুবের সুবিধা পাওয়া কৃষকদের পরবর্তী মরশুমের জন্য নতুন ফসল ঋণ দেওয়ার নির্দেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে দেওয়া হয়েছে।
কোন বিভাগে কত টাকা পেলেন কৃষকরা?
মহারাষ্ট্র সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের বিভিন্ন বিভাগে এবার উল্লেখযোগ্য হারে অর্থ কৃষকদের ঋণ অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে।
- প্রথমত অমরাবতী বিভাগে ১.৫৮ লক্ষ কৃষকের অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে ১৩৭২.১৭ কোটি টাকা।
- নাসিক বিভাগের ১.৪০ লক্ষ কৃষকের অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে ১২০৯.৩৯ কোটি টাকা।
- ছত্রপতি সম্ভাজিনগর বিভাগের ১.৩০ লক্ষ কৃষকদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে ৯৩২.৬১ কোটি টাকা।
- পুণে বিভাগের ১.০৪ লক্ষ কৃষকের অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে ৮৬০.৯৭ কোটি টাকা।
- নাগপুর বিভাগের ৭০ হাজার ২৯০ জন কৃষকের অ্যাকাউন্টে জমা পড়েছে ৫৪৪.৭১ কোটি টাকা।
না উল্লেখ করলেই নয়, সহকারিতা দফতরের প্রধান সচিব জানিয়েছেন, বিগত ৬ আগস্ট পর্যন্ত মোট ১২.১০ লক্ষ ঋণ অ্যাকাউন্টে এই অর্থ সহায়তা করা হয়েছে। এমনকি তিনি আরও জানিয়েছেন, বিভিন্ন ব্যাংকের মোট ৩২ লক্ষ ঋণ অ্যাকাউন্টের তথ্য ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট পোর্টালে আপলোড করা হয়েছে। যার ফলে আগামী পর্যায়ে আরও বহু কৃষক এই প্রকল্পের সুবিধা পাবে।
আরও পড়ুন: সীমান্ত পেরিয়ে ভারতীয় চা চাষিকে অপহরণ বাংলাদেশী দুষ্কৃতীদের, উত্তপ্ত রাজগঞ্জ
কিন্তু হ্যাঁ, ঋণ মকুব প্রকল্পের সুবিধা পেতে গেলে কৃষকদের নির্দিষ্ট কিছু প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। প্রথমত রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, কৃষকদের নির্ধারিত নম্বর ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরপর নিকটবর্তী সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে আধার যাচাই সম্পন্ন করতে হবে। তারপরেই যোগ্য কৃষকদের সুবিধা প্রদান করা হবে। তবে হ্যাঁ, যোগ্য সুবিধাভোগীদের তালিকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলির মাধ্যমে ইতিমধ্যেই অনলাইনে প্রকাশ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস, বিভিন্ন পরিষেবা সমবায় সমিতি এবং অনুমোদিত ব্যাংকের শাখাতে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।










