সহেলি মিত্র, কলকাতা: গরমের ছুটিতে বা ব্যস্ত জীবন থেকে ছুটি নিয়ে কোথাও যাবেন ভাবছেন? কিন্তু কোথায় যাবেন বুঝে উঠতে পারছেন না? তাহলে আজ আপনাদের এমন এক জায়গার সন্ধান দেব যেখানে গেলে সেখানকার প্রেমে পড়ে যাবেন। মনে হবে এক টুকরো। মেঘালয় বাড়ির কাছে রয়েছে। হ্যাঁ আর মেঘালয় যাওয়ার জন্য কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ করতে হবে না, কারণ কলকাতার অদূরেই রয়েছে ‘মিনি মেঘালয়।’ হ্যাঁ যারা ঘুরে এসেছেন তাঁরা জায়গাটিকে ঠিক এই আখ্যাই দিয়েছেন। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক বাংলার মিনি মেঘালয় কোন জায়গাকে বলা হচ্ছে সে ব্যাপারে।
বর্ষায় ঘুরে আসুন বাংলার ‘মিনি মেঘালয়’ থেকে
এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে, বাংলার কোথায় রয়েছে এমন জায়গা? তাহলে তার জন্য আপনাকে কলকাতা থেকে আগে বাঁকুড়া (Bankura) যেতে হবে। এখন আর সেই বাঁকুড়া মানেই একঘেঁয়ে শুশুনিয়া পাহাড়, বিষ্ণুপুর, মুকুটমণিপুর নয়, এখানে রয়েছে এমন এক জায়গা যা আপনাকে একদম মেঘালয়ের মতো ফিল দেবে। রয়েছে মেঘালয়ের ডাউকি নদীর মতো স্বচ্ছ নদী, ছোট ঝর্ণা দেখতে পাবেন যা আপনার মন নিমিষে ভালো করে দেবে। আজ কথা হচ্ছে ঘাগর মিনি জলপ্রপাত (Ghagar Mini Waterfalls) নিয়ে।
আরও পড়ুনঃ ঘূর্ণাবর্তের চোখ রাঙানি, দক্ষিণবঙ্গের ৫ জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, আজকের আবহাওয়া
গরমের ছুটিতে বা বর্ষায় আপনিও যদি কলকাতার কাছে একদম। অফবিট ডেস্টিনেশনের খোঁজ করে থাকেন তাহলে এই জায়গার থেকে ভালো কিছু হতে পারে না। পরিবারের সঙ্গে বা একান্তে ছুটি কাটাতে এই ঘাগর জলপ্রপাত আপনার জন্য একদম আদর্শ হতে পারে। বর্ষার সময়ে এই ঘাগর জলপ্রপাতের অসাধারণ রূপ দেখতে পারবেন। বাঁকুড়ার তালডাংরা ব্লকের শিলাবতী নদীর তীরে অবস্থিত ঘাগর একটি অত্যন্ত সুন্দর ও মনোরম গ্রাম। মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য, নদী এবং শান্ত পরিবেশের জন্য এটি স্থানীয়দের কাছে একটি জনপ্রিয় পিকনিক স্পট হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠছে ধীরে ধীরে। সবথেকে বড় কথা, শীতকালে আপনি এই জায়গায় এসে পিকনিক করতে পারবেন।
কীভাবে পৌঁছাবেন?
বাঁকুড়া শহর থেকে এই ঘাগর জলপ্রপাতের দূরত্ব ৩৭ কিলোমিটার। বাঁকুড়া থেকে যে কোনও প্রাইভেট গাড়িতে করে এখানে পৌঁছে যেতে পারবেন। এছাড়া আপনি যদি কলকাতা থেকে যেতে চাইছেন তাহলে সেক্ষেত্রে বাসে করে সিমলাপাল তারপর সেখান থেকে একটি প্রাইভেট গাড়ি বুক করে কিংবা সিমলাপাল থেকে টোটো করে ঘাগরে পৌঁছে যেতে পারবেন।










